Connect with us

top2

ব্রাজিলের হাতে বিশ্বকাপ দেখতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক

Published

on

ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটিতে তিন দিনের ভ্রমণ শেষে আজ ঢাকায় পৌঁছেছে বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বাগত অনুষ্ঠানে কাচঘেরা ট্রফির ওপর কালো কাপড় সরিয়ে উপস্থিত সবাইকে ট্রফি দেখার সুযোগ করে দেন ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। সেখানে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অন্য সবার মতো তিনিও সোনালি ট্রফির দিকে তাকিয়ে ছিলেন মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে।

আগে কখনো সরাসরি ট্রফি দেখার সুযোগ হয়নি জামালের। ডেনমার্কে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার তাই প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে খানিকটা ভাষা হারিয়ে ফেলেন বটে। আগামী ১১ জুন থেকে তিন দেশ মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হবে বিশ্বকাপ। এবারের আসরে ট্রফি ডেনমার্ক উঁচিয়ে ধরুক এটাই জামালের চাওয়া। যদি তা না হয়, তাহলে ব্রাজিলের হাতে ষষ্ঠ শিরোপা দেখতে চান তিনি।

বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের জামাল বলেন, ‘সত্যি বলতে, অভিজ্ঞতাটা জোশ ছিল! গিলবার্তো সিলভা বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে এসেছেন আর আমি এই প্রথম সামনাসামনি ট্রফিটা দেখলাম। আমার খুব ভালো লাগছে। আমি তো মনে করছি ট্রফি একটু ছোট, কিন্তু এটা আসলে অনেক বড়। আর জিজ্ঞেস করছি মানে ওজন কেমন? প্রায় ৭ কেজি খাঁটি সোনা! আমি অভিভূত ছিলাম।’

জামাল আরও বলেন, ‘ট্রফি টিভিতে দেখলে এক কথা আর সামনে দেখলে আরেক কথা। আমি চাই ডেনমার্ক (বিশ্বকাপ জিতুক)। কারণ, ডেনমার্ক তো যেখানে আমার জন্ম। তবে ডেনমার্ক যদি না পারে, অবশ্যই আমি চাই ব্রাজিলের হাতে (ট্রফি দেখতে)।’

ব্রাজিল ছোটবেলা থেকে প্রিয় দল জামালের কাছে। ২০০২ বিশ্বকাপের সময় তিনি ছিলেন কিশোর। বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের দলটি বেশ অনুপ্রাণিত করেছে তাঁকে, ​ ‘আমি ছোটবেলা থেকে আমি ব্রাজিলকে অনুসরণ করছি। কারণ, আমার প্রথম প্রিয় ফুটবলার ছিলেন রোনালদো। ২০০২ সালের ব্রাজিল দলটা আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করেছিল। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। সেই দলে রোনালদো, রিভালদো, রোনালদিনহোর পাশাপাশি আজকের এই গিলবার্তোও ছিলেন।’

জামাল এখন ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে। তবে নতুন প্রজন্ম নিয়ে তাঁর প্রত্যাশা, ‘বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে এসেছে—এটা আমাদের ফুটবলারদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা হবে। যারা কঠোর পরিশ্রম করে ফুটবলার হতে চায়, এই ট্রফি তাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে। আমার বিশ্বাস, নতুন প্রজন্মের হাত ধরে একদিন বাংলাদেশও বিশ্বকাপে নতুন কোনো ইতিহাস লিখবে।’

আজ দুপুর থেকে হোটেল র‍্যাডিসন ব্লুতে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হবে ট্রফি। তা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন কেবল কোকা-কোলার ‘আন্ডার দ্য ক্যাপ’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা। দর্শকদের প্রবেশের জন্য বৈধ টিকিটের পাশাপাশি যাচাইয়ের জন্য কোকা-কোলার ক্যাপ সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দর্শকদের জন্য বেশ কিছু কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই ট্রফি স্পর্শ করা যাবে না। আজ রাতেই ঢাকা ত্যাগ করে ট্রফিটি নিয়ে যাওয়া হবে পরবর্তী গন্তব্যে।

কোমলপানীয় কোম্পানি কোকা-কোলার উদ্যোগে ট্রফির বিশ্বভ্রমণ কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে, যা বিশ্বের ৩০ সদস্যদেশে ১৫০ দিন চলবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

মেসিকে ‘ফুটবলের ঈশ্বর’ বললেন ব্রাজিলিয়ান তারকা কাসেমিরো

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

একসময় স্প্যানিশ লা লিগার এল ক্লাসিকোতে লিওনেল মেসির অন্যতম কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো। তবে সময়ের পরিক্রমায় সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার জায়গা নিয়েছে সতীর্থের সম্পর্ক। ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পর আর্জেন্টাইন অধিনায়কের প্রশংসা করে কাসেমিরো বলেছেন, ‘মেসি ফুটবলের ঈশ্বর।’

রিয়াল মাদ্রিদের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে চার মৌসুম কাটিয়ে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দিয়েছেন কাসেমিরো। নতুন ক্লাবে যোগ দিয়েই তিনি মেসির সঙ্গে খেলার সুযোগ পাওয়াকে নিজের জন্য বিশেষ বলে উল্লেখ করেন।

কাসেমিরো বলেন, ‘এমএলএসে আমি ঠিক সেখানেই এসেছি, যেখানে আসতে চেয়েছিলাম। ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ইউনাইটেড ছাড়ার পর ইতালিসহ বিভিন্ন ক্লাব থেকে প্রস্তাব ছিল। কিন্তু আমি ইন্টার মিয়ামিকেই বেছে নিয়েছি। আমি মেসির সঙ্গে খেলতে চাই, তাকে জিততে সাহায্য করতে চাই। তিনি ফুটবলের অন্যতম ঈশ্বর, এমনকি বলা যায় তিনিই ফুটবলের ঈশ্বর।’

২০২৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়া মেসির সঙ্গে এবার একই ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করছেন ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার। ইতোমধ্যে ক্লাবটির হয়ে অভিষেকও হয়েছে তার। শনিবার মন্ট্রিয়ালের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে প্রথমবারের মতো ইন্টার মিয়ামির গোলাপি জার্সিতে মাঠে নামেন তিনি।

এল ক্লাসিকোর স্মৃতি তুলে ধরে কাসেমিরো বলেন, মেসিকে আটকানো সবসময়ই ছিল সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ। তার ভাষায়, ‘আমি জানি তাকে থামানো প্রায় অসম্ভব। রিয়াল মাদ্রিদে থাকাকালে কখনোই একা তাকে সামলাতে পারিনি। সবসময় সতীর্থদের সহায়তা প্রয়োজন হতো। এখন একই দলে এসে মাত্র দুটি অনুশীলন সেশনেই বুঝেছি, তাকে থামানো এখনও অসম্ভব।’

এদিকে কাসেমিরোকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে স্বাগত জানানোর সময় ইন্টার মিয়ামির সহ-মালিক হোর্হে মাস চলমান এমএলএস তদন্ত নিয়েও কথা বলেন। তিনি ক্লাবের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তদন্তে সত্য প্রকাশ পাবে বলে তারা আশাবাদী।

Continue Reading

top2

রাবি শিক্ষার্থীদের রেল অবরোধ, রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল বন্ধ

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রসিদ ছাড়াই যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের প্রতিবাদ করায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক (টিটি) মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রেললাইন অবরোধ করলে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা সংলগ্ন রেললাইনে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী ফোরকান উদ্দীন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

ফোরকানের অভিযোগ, ঢাকা থেকে রাজশাহী ফেরার পথে কয়েকজন টিটি যাত্রীদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়াই টাকা আদায় করছিলেন। তিনি এর প্রতিবাদ করলে ৬ থেকে ৭ জন টিটি তাকে দুই বগির মাঝখানে নিয়ে ঘাড় ও পিঠে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত চশমা ভেঙে যায়।

তিনি বলেন, “রেলের টাকা রাষ্ট্রের সম্পদ। টিকিট ইস্যু না করে টাকা নেওয়া অনিয়ম। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি এর প্রতিবাদ করেছিলাম। কিন্তু এর জেরে আমাকে মারধরের শিকার হতে হয়েছে।”

ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। দাবিগুলো হলো—অভিযুক্ত টিটিকে সশরীরে উপস্থিত করা, ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং সব দূরপাল্লার ট্রেনের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আরিফুল ইসলাম বলেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়েছে। রেলে অনিয়ম ও প্রতিবাদকারীদের হেনস্তা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে অবরোধস্থলে উপস্থিত হন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। এছাড়া রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ফেসবুক পোস্টে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ট্রেনের টিকিট পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদে রেললাইন অবরোধ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

Continue Reading

top2

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং-২৬’ শুরু আজ

Published

on

By

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর যৌথ বার্ষিক সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং-২৬’ আজ (১৯ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। এবারের মহড়ায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর ১৬০ জনের বেশি সদস্য অংশ নিচ্ছেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যৌথ এ মহড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে যৌথভাবে কাজ করার সক্ষমতা আরও জোরদার হবে।

এবারের মহড়ায় বনাঞ্চলে অভিযান পরিচালনা, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে যৌথ প্রশিক্ষণের আয়োজন রাখা হয়েছে। পাশাপাশি উভয় দেশের সেনাসদস্যরা একে অপরের কৌশল, দক্ষতা ও অপারেশন পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।

মার্কিন দূতাবাস জানায়, ‘টাইগার লাইটনিং’ ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এর লক্ষ্য দুই দেশের সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতি, অপারেশনাল সক্ষমতা ও আন্তঃকার্যক্ষমতা (ইন্টারঅপারেবিলিটি) বৃদ্ধি করা।

২০১৭ সালে শুরু হওয়া ‘টাইগার লাইটনিং’ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় সামরিক মহড়া। কোভিড-১৯ মহামারির সময় সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও পরবর্তীতে এটি পুনরায় নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হচ্ছে।

মহড়াটি শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের অনুশীলনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সমাপনী পর্বে অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হবে।

Continue Reading

Trending