Connect with us

top3

ভারতের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা

Published

on

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক চার দেশীয় ফোরাম করার আগ্রহ নিয়ে দৌড়ঝাঁপ এক নতুন বার্তা বহন করছে। বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারকে নিয়ে একটি চার দেশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামাবাদ।

এই প্রস্তাবটি পাকিস্তান এমন এক সময়ে দিয়েছে, যখন নির্বাচনের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। গত বছর চীনও পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে নিয়ে ত্রিদেশীয় জোটের প্রস্তাব দিয়েছিল। তখন ঢাকার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র কালবেলাকে জানায়, নির্বাচনের আর কয়েকদিন বাকি। এ অবস্থায় চার দেশীয় জোট নিয়ে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার কথা নয়। এ বিষয়ে কোনো আলোচনাও হয়নি। যেহেতু আলোচনায় এসেছে; তাই নির্বাচিত সরকার চাইলে বিষয়টি ভেবে দেখতে পারে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের একদম কাছাকাছি সময়ে এমন জোট হওয়ার সম্ভাবনা যে নেই, তা পাকিস্তানও বোঝে। তার পরও তাদের পক্ষে এটা একটা স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা। বার্তাটা আসলে ভারতকেই দিতে চাইছে পাকিস্তান। এখন সরকার যদি পাকিস্তানের এই প্রস্তাবে সাড়া দেয়, সেটা চলমান বাংলাদেশ-ভারত টানাপোড়েন সম্পর্ককে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলবে।

সূত্র জানায়, গত ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার টেলিফোন করেন। ফোনে তিনি বাংলাদেশ, চীন, মিয়ানমার ও পাকিস্তানকে নিয়ে একটি আঞ্চলিক বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দেন। ইসহাক দার বলেন, পাকিস্তান নির্বাচনের আগেই এ নিয়ে একটি বৈঠক আয়োজন করতে চায়। জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যন্ত বিষয়টি স্থগিত রাখতে বলেন।

চীনের ত্রিদেশীয় উদ্যোগ থেকে চার দেশীয় প্রস্তাব: এই চার দেশীয় ফোরামের ধারণাটি নতুন নয়। গত বছরের জুন থেকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে নিয়ে চীন একটি ত্রিদেশীয় ফোরাম গঠনে সক্রিয় ছিল। চীনের কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে এমন প্রস্তাব উঠে আসে। পরবর্তী সময়ে ঢাকা ও কুয়ালালামপুরে একাধিক আলোচনাও হয়। কিন্তু বাংলাদেশ সম্মতি না দেওয়ায় উদ্যোগটি ভেস্তে যায়।

বাংলাদেশের যুক্তি ছিল, শ্রীলঙ্কা বা নেপালের মতো দেশকে যুক্ত করা না হলে দক্ষিণ এশিয়ায় এমন একটি জোট ফলপ্রসূ হবে না। পাকিস্তানের সঙ্গে নেপাল বা শ্রীলঙ্কার একই জোটে যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় তখন সে জোটের আলোচনা আর এগোয়নি। এখন মিয়ানমারকে যুক্ত করে চার দেশীয় ফোরামের প্রস্তাব সামনে আনল পাকিস্তান। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সবসময় বৈরিতা এড়িয়ে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর ভিত্তি করে চলে। ফলে যেই জোট আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াবে, তাতে যুক্ত হবে না বাংলাদেশ।’

চীন-পাকিস্তানের জোটে বাংলাদেশ কেন গুরুত্বপূর্ণ: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। তারপর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নতির দিকে যায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক, বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। এর ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনাও চলছে। এটিও ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ। এখন এলো চার দেশীয় ফোরাম গঠনের প্রস্তাব।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে চার দেশীয় ফোরাম গঠনের প্রস্তাবের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর। ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার কারণে সার্কের শীর্ষ সম্মেলনগুলো বাতিল হয়েছে। এর ফলে আঞ্চলিক সহযোগিতার একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে পাকিস্তান ছাড়া ভারতের সঙ্গে বিমসটেকে যুক্ত রয়েছে। পাকিস্তান চায় একটি নতুন জোট করতে, যেখানে ভারত থাকবে না এবং পাকিস্তানের সহযোগী বন্ধু চীনের উপস্থিতি থাকবে। চীনের উদ্দেশ্য হলো বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় তার প্রভাব বিস্তার করা। বাংলাদেশে চীনের বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে। যেমন পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং কক্সবাজারে সাবমেরিন বেস। মিয়ানমারে চীনের কিয়াউকপিউ বন্দর প্রকল্প রয়েছে, যা বঙ্গোপসাগরে চীনের কৌশলগত উপস্থিতি বাড়াবে। পাকিস্তান চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্র। চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) তাদের সম্পর্কের মূল ভিত্তি। ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশের তিন দিক থেকে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে, তাই বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ভাবছে চীন ও পাকিস্তান। এই ফোরামের মাধ্যমে চীন ও পাকিস্তান ভারতকে মূলত চাপে ফেলতে চাইছে।

অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ এমন আঞ্চলিক জোটে কখনোই যাবে না। উদ্ভট একটা জোটের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। এখানে দেখছি মিয়ানমারও রয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুসহ মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের নানা সমস্যা চলমান। এমন অবস্থায় তাদের নিয়ে জোট কীভাবে সম্ভব।’

নির্বাচনের আগে ভারতকে বার্তা!: ২৪-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বারবার স্বীকার করেছেন, ভারতের সঙ্গে এ সরকারের সম্পর্ক ভালো অবস্থানে নেই। গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের বিদায়ী আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি। এ সরকারের সময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক থমকে রয়েছে, যা নির্বাচিত সরকার এলে সমাধান হতে পারে।’

সরকারের একজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, ‘হাসিনা বা আওয়ামী লীগ মুখ্য নয়। অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মধুর করতে আগ্রহী ছিল, বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে এমনও নয়। যেহেতু এ সরকারের ভারতবিরোধী একটা অবস্থান রয়েছে, ফলে সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় চাইলেও ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে চেষ্টা করেনি ইউনূস সরকার।’

এদিকে দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রও কালবেলাকে জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কে আগ্রহী বারবার বলা হলেও এমনটি হয়নি। এ সরকার চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে এতই ব্যস্ত ছিল যে, ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কও রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভারতে বাংলাদেশের আমদানি কমলেও রপ্তানি বেড়েছে। এগুলো মুনাফার বিষয়। চাইলেও পাকিস্তানের সঙ্গে আমরা অনেক বাণিজ্যিক সম্পর্ক করতে পারব না। পাকিস্তান অনেক দূরের দেশ। ফলে রাজনৈতিক বক্তব্য থাকবেই। এ সরকারের পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতেই পারে, এসব গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

স্টেশনে রাবি শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কারসহ ৫ দাবি  

Published

on

By

​রাবি প্রতিনিধি: 

স্টেশনে ​রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হেনস্থা ও মারধরের ঘটনায় জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে একদল শিক্ষার্থী। ​বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানান তারা। 

​তাদের অন্য চার দাবি হচ্ছে—অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রেলওয়ে স্টেশনটি চালু করা; চলন্ত ট্রেন থেকে পরপর দুইদিন রাবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার করা এবং এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে তা নিশ্চিত করা; রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের চলমান বিরোধের স্থায়ী সমাধান করা; ভবিষ্যতে রেলওয়ের কোন সদস্য কর্তৃক কোন শিক্ষার্থীকে হেনস্থার ঘটনা ঘটলে তার দ্রুত জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা করা। 

​সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ট্রেনের টিকিটের সীমাবদ্ধতা থাকায় কখনো কখনো শিক্ষার্থীরা টিকিট কাটতে পারে না। তখন তারা টিটিইদের টাকা দেয়ার সময় সেই টাকার ভাউচার চায়। ফলে তাদের দুর্নীতির রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকেই শিক্ষার্থীদের উপর রেলের দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্যদের ক্ষোভ। 

​স্টেশন ভাঙচুরের বিষয়ে তারা বলেন, এ ঘটনার দায় রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের। তারা সময়মতো ব্যবস্থা নিলে এ ঘটনা ঘটতো না। দীর্ঘ সময় ধরে রেলওয়ে সদস্য দ্বারা শিক্ষার্থীদের বারবার হেনস্থার ঘটনায় ক্ষোভ থেকেই এ ঘটনা ঘটে। 

​তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি হলে তা আরও ভালো উপায়ে প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে। তবে একজন শিক্ষার্থীর জীবন গেলে তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। পরপর দুই দিন যেভাবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে এমন ঘটনা আবারও ঘটলে আমরা আরও কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করব। ​এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের রেলমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এবং দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।  

এর আগে গত রোববার রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার জেরে সেদিন রাতে রেলস্টেশন কার্যালয়ে গিয়ে জানালার কাঁচ ও চেয়ার ভাঙচুর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার পরে জরিত সন্দেহে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্যকে সাময়িক বহিস্কারের আদেশ জারি করে করে রেল কতৃপক্ষ। এদিকে গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনবাজার সংলগ্ন রেলপথ দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রেন থেকে পাথর নিক্ষেপের ঘটনার অভিযোগ ওঠে৷ এতে একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আহত হন বলে জানা গেছে। এর আগেও একদিন ট্রেন থেকে এমন পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Continue Reading

top3

বেরোবি এবং আইসিএমএবি এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

শিক্ষা, গবেষণা এবং পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এবং দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (ICMAB)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভাকক্ষে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। বেরোবি বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ নুর আলম সিদ্দিক এবং
আইসিএমএবি-এর সহ-সভাপতি এস. এম. জহির উদ্দিন হায়দার এফসিএমএ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা শিক্ষা প্রসারে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের আইসিএমএবি কোর্স ওয়েভারসহ বিভিন্ন পেশাগত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আইসিএমএবি-এর সুযোগ-সুবিধা ও পেশাগত দিকগুলো আরও গভীরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন।

Continue Reading

top3

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাকৃবি রোভার স্কাউটের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

Published

on

By

বাকৃবি প্রতিনিধি:

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও ক্যাম্পাসের মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) রোভার স্কাউটের দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি-২০২৬’ শীর্ষক এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম রোভার স্কাউটের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলমের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বিভিন্ন বর্ষের রোভার স্কাউট শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, রোভার স্কাউটিং তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব, সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, দলগত সহযোগিতা ও মানবিকতার মতো গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে তরুণরা আদর্শ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে অনুপ্রাণিত হয়। দেশের বিভিন্ন দুর্যোগকালীন সময়ে বাকৃবির রোভার স্কাউটরা দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোভার স্কাউটের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, রোভার স্কাউটের ডেন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতি সোমবার ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। এর মাধ্যমে ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending