Connect with us

top1

ভারতে উত্থান ভারতেই পতন হাসিনার

Published

on

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ তারিখ হলো ১৭ নভেম্বর। ১৯৬৮ সালের এই দিনে তিনি পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ৫৮তম বিবাহ বার্ষিকীর দিনেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। শুধু তাই নয়, তিনি ১৯৮১ সালে ভারতের দিল্লিতে বসেই আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি দিল্লি থেকে ওই বছর ১৭ মে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

এক সময়ের গৃহবধূ শেখ হাসিনার দিল্লিতে বসেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি শুরু হয় এবং এখন ভারতে বসেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডের খবর পেলেন।

পারিবারিক রাজনীতির উত্তরাধিকারে উত্থান হয় শেখ হাসিনার। অপরিপক্ব হলেও শেখ মুজিবুর রহমানের মেয়ে হিসেবে ১৯৮১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। টানা ৪৪ বছর ধরে পালন করছেন এ দায়িত্ব। এর মধ্যে ‘পাঁচ’ বার প্রধানমন্ত্রী ও দু’বার বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন। তবে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পালিয়ে ভারতে যান হাসিনা। এর আগেই তার নির্দেশে দেশে চলে গণহত্যা। সেই অপরাধের দায়ে গতকাল সোমবার তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনাল।

শেখ হাসিনার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। জাতীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য কোনো অবস্থান না থাকলেও বাবা শেখ মুজিবের পরিচয়ে দলটির সভাপতি হন। তখনও তিনি ভারতে নির্বাসনে ছিলেন। তাকে শীর্ষ পদে আসীন করার ক্ষেত্রে দলের একটি অংশের তীব্র বিরোধিতাও ছিল।

সভাপতি হওয়ার তিন মাসের মাথায় ওই বছরের ১৭ মে দেশে এসে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নেন ৩৩ বছর বয়সি হাসিনা। অভিযোগ আছে, দলের দায়িত্ব নিয়ে তিনি একটি নিজস্ব বলায় তৈরি করেন। একে একে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাদের কোণঠাসা করেন। ক্রান্তিকালে দলের হাল ধরে রাখা সৈয়দা জোহরা তাজ উদ্দিনও তার বলয়ের কারণে সাইডলাইনে চলে যান। শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি নির্বাচনের বিপক্ষে ছিলেন এমন ডাকসাইটে নেতারা অবমূল্যায়নের শিকার হন। এমনকি ১৯৯১ সালের নির্বাচনকে সুষ্ঠু বলায় দলীয় খড়্গ নেমে আসে ড. কামাল হোসেনের ওপর। হাসিনা বলয়ের লোকজন প্রখ্যাত এই আইনজীবীকে নানাভাবে অপদস্তও করেন। পরে বাধ্য হয়ে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে নতুন দল গঠন করেন।

জানা গেছে, ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নেওয়ার পর হাসিনা দল গোছানোর পাশাপাশি আন্দোলনের কর্মসূচি পালন শুরু করেন। তিনি বিএনপিসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে যুগপৎভাবে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হন। তবে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও আন্দোলনরত বামপন্থি দলগুলোর সঙ্গে বিঈমানি করে হাসিনা ১৯৮৬ সালে এরশাদ সরকারের সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেন হাসিনা। পরে অবশ্য পরাজিত হওয়ায় এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তিনি আবার বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সম্মিলিত আন্দোলেনে যোগ দেন।

এরশাদের পতনের পর অনুষ্ঠিত ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালান হাসিনা। সংশ্লিষ্টরা জানান, ওই সময় তার অবস্থান এমন ছিল যে, তিনি নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী। তবে নির্বাচনে তার দলের ভরাডুবি হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মাত্র ৮৮ আসনে জয়লাভ করে। হতবাক হাসিনা নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলেন। কিন্তু দেশের ইতিহাসে যত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে সেটি একটি। এমনটি তার দলের প্রভাবশালী নেতা ড. কামাল হোসেন বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বলেছিলেন। যদিও এ কারণে তিনি দলের রোষানলে পড়েন।

হাসিনার দুঃশাসনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অধ্যায় ছিল বিচারিক হত্যাকাণ্ড। ২০১৪ সালের বিনাভোটের নির্বাচনে ক্ষমতা ধরে রেখে একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে নাটক মঞ্চস্থ করেন হাসিনা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ দলটির শীর্ষ ছয় নেতাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। এমনকি দলটির নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসেইন সাঈদিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার প্রতিবাদ করায় শতাধিক নিরস্ত্র ভক্তকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এছাড়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকেও ক্যাঙ্গারু কোর্টের মাধ্যমে প্রহসনের বিচারের নামে হত্যা করা হয়।

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রতিষ্ঠানটি থেকে সরিয়ে দেন হাসিনা। তাকে নানাভাবে হয়রানিও করা হয়। হাসিনা সবচেয়ে বিধ্বংসী কাজটি করেন সংবিধানে সংশোধনী এনে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে বিলুপ্ত করে। এর মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের সুযোগ শেষ করে দেন। এর জের ধরে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে একতরফা নির্বাচন করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। এই তিনটি নির্বাচন দেশের জনগণের কাছে যথাক্রমে বিনাভোট, রাতের ভোট ও ডামি ভোটের পরিচিতি পায়। টানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে হাসিনা ক্রমান্বয়ে বিধ্বংসী হয়ে উঠলেন। তিনি বিরোধী কণ্ঠরোধের জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো কালো আইন তৈরি করেন। সংবাদমাধ্যম আইন ও তার গোয়েন্দা বাহিনী এসব ব্যবহার করে সবকিছু স্তব্ধ এবং ভয়ভীতির মধ্যে রেখেছিল। একটি ভয়ের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, সমস্ত সমালোচনা দমন করা হয়। এতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ধ্বংস হয়ে যায়।

২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তার অপশাসন অব্যাহত থাকে। তবে ছাত্রদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পথ ধরে পতনের মুখে পড়ে হাসিনার ফ্যাসিজম। গত বছর জুলাইয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের দমনপীড়নের সামনে রাজপথে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। স্বৈরাচারের রাহুমুক্ত হতে ছাত্র-জনতা একজোট হয়েছিলেন রাজপথে। দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্বে উঠে আসে হাসিনা সরকারের পদত্যাগের এক দফা। এ গণদাবি সরকারের ভিত নাড়িয়ে দেয়। সরকারের পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসীদের গুলি, হত্যার বীভৎসতায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানে। শিক্ষার্থীসহ প্রাণ দেন ১৪০০ মানুষ।

প্রবল জনরোষের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করেন হাসিনা। ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে তিনি ওই দিন দুপুরে সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে দেশ ছেড়ে ভারতের নয়াদিল্লিতে গিয়ে আশ্রয় নেন। এরপর ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন সরকার হাসিনার গণহত্যার বিচারের কাজ এগিয়ে নেওয়াসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে সংস্কারের উদ্যোগসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরপরই তার দলের নেতারাও যে যার মতো পালিয়ে যান। কেউ কেউ গ্রেপ্তার হন। অনেকে জনরোষের শিকার হন। বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের বাড়িঘর ভাংচুরসহ আগুন ধরিয়ে দেয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা শেখ মুজিবের মূর্তি ও ম্যুরাল ভেঙে ফেলা হয়। শেখ মুজিবের ৩২ নম্বরের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে জনতা।

বর্তমান সরকার তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জুলাই গণহত্যার বিচার শুরু করেছে। হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার ১৫ মাসের মাথায় তার গঠন করা ট্রাইব্যুনালেই প্রথম মামলার রায়ও ঘোষণা করা হয়েছে। এতে গণহত্যার দায়ে হাসিনার ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুদ্ধের কারণে জ্বালানি-গ্যাস সংকট, সরকার দায়ী নয়: রিজভী

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহেও পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, বর্তমান সংকটের অন্যতম বড় কারণ প্রাকৃতিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও গ্যাসের অভাবে কলকারখানার কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি বলেন, সংকটের মধ্যেও সরকার জনগণের সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। যেসব অঞ্চলে সংকট দেখা দিয়েছে, সেসব এলাকায় জনগণের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সরকারের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। জনকল্যাণ, সামাজিক সুরক্ষা ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি দায়িত্বশীল সরকার কীভাবে কাজ করতে পারে, তার উদাহরণ বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে দেখিয়েছে।

আগামী দিনেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রিজভী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মো. জহির উদ্দিন স্বপনসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top1

রাষ্ট্রপতির শপথেই মির্জা ফখরুলের এমপি-মন্ত্রীর পদ শূন্য: চিফ হুইপ

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমপি ও মন্ত্রী পদ শূন্য হবে বলে জানিয়েছেন সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর মির্জা ফখরুল আর সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী থাকবেন না। তখন থেকে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর ছেড়ে দেওয়া আসনে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জামায়াতের আলোচিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়া প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীই বলতে পারবে।

এদিকে বর্তমান অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনিও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন বলে জানান চিফ হুইপ।

Continue Reading

top1

নির্ধারিত দামে সার বিক্রি না করলে বাতিল হবে ডিলারশিপ

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি নিশ্চিত করতে দেশের সব জেলা ইউনিটের ডিলারদের কঠোর সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)। নির্দেশনা অমান্য করলে ডিলারশিপ বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিএফএর চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ জমা দিয়ে সার উত্তোলন এবং নিজ নিজ গুদামে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সারের আগমনী বার্তা নিয়মিত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।

এ ছাড়া সার বিক্রির রেজিস্টার যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি বন্ধে নিয়মিত তদারকি জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএফএ জানিয়েছে, কোনো অসাধু বা কুচক্রী মহল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করলে এবং এর দায় ডিলারদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করলে তা বরদাস্ত করা হবে না। এ বিষয়ে ডিলারদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কৃষি অফিস ও প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে কার্যক্রম পরিচালনারও নির্দেশ দিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে নির্দেশনা বা নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের ডিলারশিপ বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে বিএফএ।

Continue Reading

Trending