রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম হোসেন। জন্মগতভাবে যিনি একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। অথচ দৃষ্টিহীন হয়েও তিনি দেখতে পান এমন এক স্বপ্ন—যা অনেক সক্ষম মানুষও দেখার সাহস পায় না। সেই স্বপ্ন হলো পরিবর্তনের। আর এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার। ‘সহকারী পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক’ পদে জমা দেন মনোনয়ন পত্র। প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকায়ও তার নাম এসেছে। তার এই যাত্রায় অনুপ্রেরণা হিসেবে হাজির হয়েছে তার বন্ধুরাসহ অনেকেই। সকলের কথা বলতে গিয়ে নাঈম বললেন, ‘আমার বন্ধুরা বলেছে তুমি পারবে। তুমি সেই ব্যক্তি যার দ্বারা কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব।’
নাঈম ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি লক্ষীপুর জেলার সদরে। জন্ম থেকেই চোখে আলো না পাওয়া এই তরুণের পৃথিবী আর আট-দশ জন তরুণের মতো নয়। সম্পূর্ণ আলাদা। ছোট থেকে লড়াই সংগ্রামে মাঝে ভর্তি হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে।বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশে, শত প্রতিকূলতার মাঝেও, তিনি যা ভাবেন, তা হয়তো আর আট-দশ জন ভাবতে পান না। শিক্ষার্থী হয়ে নাঈমের মতো দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীদের মতো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারেন না। লাইব্রেরির মতো প্রতিষ্ঠানেও তাদের জন্য নেই কোনো বিকল্প ব্যবস্থা। যে সমস্যা নিয়ে নাঈম কতৃপক্ষকে বার বার বলতে গেলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।
বেশ আক্ষেপ নিয়ে নাঈম বললেন, ‘অন্ধত্বের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আমার অ্যাক্সেস (প্রবেশাধিকার) নেই। প্রশাসনকে অনেকবার এ কথা জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমার কথা আমলে নেননি।’ কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করলেন, ‘আমি কোনো লিগ্যাল অথোরিটি (বৈধ কতৃপক্ষ) ছিলাম না। রাকসুতে যদি একজন প্রার্থী হিসেবে আসতে পারি, তবে কিছু বলার অধিকার পাবো।’
দীর্ঘ তিনযুগ পর ক্যাম্পাস জুড়ে রাকসু নির্বাচনের আমেজ, ক্লাসরুম থেকে চায়ের দোকান—সর্বত্র প্যানেল-প্রার্থীদের নিয়ে চলছে সুক্ষ্ম বিশ্লেষণ। এই সময়ে প্রার্থীরাও যখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের মন জয়ে ব্যস্ত; তখন নাঈমদের মতো এসব বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভাববার যেন কেউ নেই। অথচ এই শিক্ষার্থীদের নিয়েই ভাবতে চান নাঈম হোসেন। আবার শুধু যে এই শিক্ষার্থী তাও নয়, কাজ করতে চান ক্যাম্পাসের সকলের জন্য। এই তরুণ ভাঙতে চান সমাজের প্রচলিত ধারণা। সেই লক্ষ্যেই নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষণা করা বলে জানিয়েছেন তিনি।
অদম্য এই নাঈম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (পিডিএফ)-এর একজন সদস্য। বুধবার নাঈম হোসেনের সঙ্গে এই প্রতিবেদক কথা বলেন।
নির্বাচনে আসার পেছনে কোনো বিশেষ কোনো ঘটনা বা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চান এই প্রতিবেদক। নাঈম বললেন, ‘ক্যাম্পাসে কাটানো তিন বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমি এটুকুই বুঝেছি যে, আমাদের ক্যাম্পাসের যে পরিবেশ তা মানুষের জন্য খুবই নিম্ন মানের। আমার মনে হলো, এই অবস্থার পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। আমি এই অবস্থার পরিবর্তনে কাজ করতে চাই।’
তবে এই কাজ সবার জন্য বলে জানালেন নাঈম। তিনি বললেন, ‘ক্যাম্পাসের ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (পিডিএফ) সদস্যরা আমার পরিবারের মতো। তাদের জন্য কাজ করা আমার দায়িত্ব। তবে আমি শুধু তাদের নয়, সব শিক্ষার্থীর জন্যই একটি সুন্দর ক্যাম্পাস গড়তে চাই।’
এই কঠিন পথে চলার সাহস তিনি পেয়েছেন বন্ধু ও পিডিএফ-এর সদস্যদের কাছ থেকে। তাদের অনুপ্রেরণাতেই নাঈম আজ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছেন। নির্বাচনে জয়-পরাজয় নিয়ে তিনি চিন্তিত নন, বরং আত্মবিশ্বাসী। একটি কথা তিনি বার বার বললেন, ‘আমি বদলাতে চাই, আমি পরিবর্তন চাই।’
নাঈম বললেন, ‘বন্ধুরাসহ আমার পিডিএফ পরিবার বলেছে তুমি সেই ব্যক্তি যার দ্বারা কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব। আমি সর্বোপরি সবার জন্য, যারা ক্যাম্পাসে ভুগছে, তাদের জন্য হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে কাজ করতে চাই। আমি সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস নিয়ে কাজ করতে চাই।’
নাঈমের এই লড়াই কেবল একটি নির্বাচনে জেতার জন্য নয়, বরং সমাজের গভীরে থাকা একটি ধারণা ভাঙার লড়াই। তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাজে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের জন্য কিছু করতে পারে না। আমি এই ধারণা ভেঙে দিতে চাই।’
নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বলে জানান নাঈম। তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচনে জয়-পরাজয় নিয়ে চিন্তিত নই। কিন্তু আমি আত্মবিশ্বাসী যে, ইনশাআল্লাহ পারব। সকলের কাছে বার্তা থাকবে যে, আমি বদলাতে চাই। আমি পরিবর্তন করতে চাই। এটাই আমার বার্তা। এখন পর্যন্ত সবার থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি।’
নির্বাচনের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তে কোনো নেতিবাচক মন্তব্যের শিকার হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যখনই প্রার্থীতার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তখন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নেতিবাচক মন্তব্য পাইনি। তবে ভবিষ্যতের কথা বললে পারছি না। আর অন্যান্য ক্যাম্পাসে দেখেছি যে, ডিজএবল শিক্ষর্থীদের নিয়ে অনেক কথা উঠছে।’
নির্বাচনী প্রচারণা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আমি একজন মানুষের ভোট নিচ্ছি, মানে আমি তার দায়িত্ব নিচ্ছি। তাই সবার আগে আমার দায়িত্ব তাকে বোঝানো, আমাকে কেন ভোট দেবে। এক্ষেত্রে আমি সরাসরি সাক্ষাৎকে বেশি উৎসাহিত করবো। এটা আমার ব্যক্তিগত কৌশল হবে।’
ছোটবেলা থেকেই মানুষের জন্য কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন নাঈম। তিনি বলেন, ‘কেবল চাকরির পেছনে ছোটা আমার লক্ষ্য নয়। আমি স্বাধীনভাবে সমাজের জন্য এমন কিছু করতে চাই, যা মানুষের উপকারে আসবে।’
টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও পরিবহন সংকটের কারণে আজ বুধবার (৮ জুলাই) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সব ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতের দুর্ভোগ বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা এবং পরিবহন সংকটের প্রেক্ষাপটে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা আদেশক্রমে স্থগিত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে দেখা দিয়েছে পরিবহন সংকট, যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে।
সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় একদিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফল উৎসব–২০২৬’।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে এ আয়োজন করা হয়। এতে সমিতির সম্পাদক রেদওয়ান উল্লাহ’র সঞ্চালনা ও সমিতির সভাপতি মো. মোবাশ্বের রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো. মশিউর রহমান। এছাড়াও রংপুর থেকে আগত বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের ইবি’র শিক্ষার্থীরা।
এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের উল্লাস প্রকাশ করেন। প্রতি বছর আরো বড় আয়োজনে এমন ফল উৎসব দেখতে চান বলে তারা জানান। উৎসবে রংপুরের বিখ্যাত হাঁড়িভাঙ্গা আমসহ অন্যান্য ফলের মধ্যে কাঁঠাল, আনারস, কলা, পেয়ারা, আপেল, মাল্টা, লটকনসহ বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি ফল প্রদর্শন ও পরিবেশন করা হয়।
এ সম্বন্ধে সভাপতি মো: মোবাশ্বের রহমান বলেন, রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির আয়োজিত ফল উৎসব শুধু একটি আনন্দঘন আয়োজন নয়, এটি আমাদের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের প্রতীক। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহযোগিতা এবং আন্তরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে পেরেছি। যারা এই আয়োজন সফল করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এমন গঠনমূলক ও ইতিবাচক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র্যাংকিং উন্নয়ন ও একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, এশিয়ায় ইরাসমাস প্লাস ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্টস (ইএনএফপিএস) নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় সহায়তা কার্যক্রমের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ড. আশিকুর রহমান, আইকিউএসি (ইন্টারনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দুর রহমান, গবেষণা ও সম্প্রসারণ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের নবনিযুক্ত ডিন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান।
আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে ড. আশিকুর রহমান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং কোনো প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়; বরং এটি একটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যক্রমের প্রতিফলন। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত কর্মপরিবেশ, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, গবেষণাবান্ধব পরিবেশ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নের ধারাবাহিক উদ্যোগ থাকলে সেই প্রতিষ্ঠান স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে যায়। বিচ্ছিন্ন কোনো সাফল্যের চেয়ে প্রতিষ্ঠানের সব অংশীজনের সম্মিলিত অগ্রগতি আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে।”
তিনি আরও বলেন, ‘কিউএস, টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই), সাংহাই র্যাংকিং এবং সিমাগো-সহ আন্তর্জাতিক র্যাংকিং ব্যবস্থার বিভিন্ন মূল্যায়ন সূচক বিবেচনা করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করতে হবে।’
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান বলেন, “ড. আশিকুর রহমান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং ও উচ্চশিক্ষা উন্নয়ন বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বাস্তবসম্মত করণীয় নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় উপাচার্য গবেষণা পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্ততা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা প্রকাশনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এসব আলোচনার ভিত্তিতে এক বছর মেয়াদি একটি রোডম্যাপ প্রণয়নের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে মতৈক্য হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে এগোতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবতা, সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করাই এখন সবচেয়ে জরুরি। ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে আরও ভালো অবস্থানে পৌঁছাবে বলে আমরা আশাবাদী।”