Connect with us

top3

চ্যালেঞ্জ বড় হলেও জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

Published

on

জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হলে দেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে সবার আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে তরুণদের নেতৃত্বে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনের অবসানের পর দেশ রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারেক রহমান।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি নিশ্চিত করা দরকার, যাতে মানুষ নিরাপদ থাকে। নির্বাচিত হলে দেশের অর্থনৈতিক দুর্দশা মোকাবিলা করাও তাদের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে থাকবে বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের প্রায় দেড় দশকের শাসনামলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দাবি করে তারেক রহমান বলেন, মেগা প্রকল্পের নামে আমরা মেগা দুর্নীতি দেখেছি। অল্প কিছু ব্যক্তি ধনী হয়েছে, কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষ কিছুই পায়নি।

অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ বেকার। ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেলে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চেয়ে ভালো করার চেষ্টা করবেন বলেও উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ১৭ কোটি মানুষের এই দেশের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার অর্থনীতি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও জ্বালানি খাতকে ধ্বংস করেছে।

বিভিন্ন জরিপে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আমরা আশা করি, জনগণের কাছ থেকে একটি স্পষ্ট ম্যান্ডেট পাব— একটি বড় ম্যান্ডেট। তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন তারা নিজেরাই পাবে বলে আশা করছেন; নতুন কোনো জোটের প্রয়োজন দেখছেন না।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থ ও দেশের স্বার্থই সবার আগে বিবেচনায় থাকবে।

এ ছাড়া আইন করে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন বলে জানান তারেক রহমান। তবে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করার পক্ষে মত দেন তিনি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

কুষ্টিয়ায় ভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচন সামগ্রী

Published

on

By


রাত পোহালেই ভোট। এরই মধ্যে পুলিশ, বিজিবি আনসার ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ভোটগ্রহণের নির্বাচন সামগ্রী।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কুষ্টিয়ায় প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা সিল, প্যাড, অমোচনীয় কালি ও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স বুঝে নিচ্ছেন।

জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের ৫৯৯টি ভোটকেন্দ্রে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন।

ভোট কেন্দ্রগুলোকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাঠে কাজ করছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

Continue Reading

top3

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে বড় চ্যালেঞ্জে ভারত

Published

on

By

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্টের বাণিজ্য চুক্তি ভারতের বস্ত্র ও তুলা খাতের জন্য নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি করেছে। চুক্তিতে বাংলাদেশি কিছু পোশাক পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক ছাড়াই বিক্রি করা যাবে, যা ভারতীয় রপ্তানিকারকদের অবস্থান দুর্বল করতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া ‍টুডে বলছে, চুক্তির আগে ভারতের বস্ত্র রপ্তানির ওপর শুল্ক ছিল ৫০ শতাংশ; এখন তা কমে ১৮ শতাংশে এসেছে। বাংলাদেশি পোশাকের জন্য যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক ছাড়ার কারণে মার্কিন বাজারে তারা ভারতের চেয়ে সস্তা অবস্থানে আসতে পারে।

বাংলাদেশের বস্ত্র খাত দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশ। এছাড়া বাংলাদেশ বিশ্বের বড় তুলা আমদানিকারক এবং ভারতের তুলার সবচেয়ে বড় ক্রেতা। নতুন চুক্তিতে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে পোশাক তৈরির সুবিধা বেড়ে যাওয়ায় ভারতীয় তুলা ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ বাড়ছে।

ইতোমধ্যে ভারতীয় বস্ত্র ও সুতা উৎপাদনকারী কোম্পানির শেয়ারে চাপ পড়েছে। বিরোধী কংগ্রেস দল ও রাজ্যসভার সদস্য প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী মোদি সরকারের সমালোচনা করেছেন। কংগ্রেস বলেছে, চুক্তির কারণে দেশীয় তুলাচাষি ও রপ্তানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

চূড়ান্ত যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য চুক্তি এখনো সই হয়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে শুল্ক ও বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করার চেষ্টা হতে পারে

Continue Reading

top3

দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছাতে শুরু করেছে ব্যালট

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছাতে শুরু করেছে ব্যালট। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতের মধ্যেই ঢাকার বাইরের ভোটকেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে যাবে ব্যালট পেপার-বক্সসহ ভোটের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। আর ঢাকাসহ বড় শহরগুলোয় ব্যালট বক্স পৌঁছে যাবে আজ সন্ধ্যায়।

এরপর আগামীকাল ১২ই ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে ভোটাররা দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন। একটি সাদা ব্যালট, এটি হবে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ব্যালট। আর গোলাপি ব্যালট হবে গণভোটের।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় নয় লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাহারুল আলমও জানিয়েছেন, নির্বাচন উপলক্ষ্যে কেন্দ্র, ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স – এই তিনটি স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তার মতে, যে পরিমাণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার শক্তি নাই কারো। কোথাও একটা ক্রাইম হতে পারে, ডাকাতি হতে পারে, খুন হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ইলেকশন বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

তবে তিনি এও বলেছেন, এবারের নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে সারাদেশে আট হাজার ৭৭০টি ভোটকেন্দ্র অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছে এবং মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র হলো ১৬ হাজার।

Continue Reading

Trending