Connect with us

ক্যাম্পাস

ববিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত

Published

on

মাফিদুল হাসান, ববি

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ,বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখার উদ্যোগে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অর্জন ও ক্যাম্পাস লাইফে শরীয়াহ’ শীর্ষক আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট ) সন্ধ্যায় ববির শেরে বাংলা হলের টিভি রুমে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কুরআন শুরু হয়েছে ‘লা রাইবা’ (নিঃসন্দেহ) ঘোষণার মাধ্যমে এবং শেষ হয়েছে মানুষ ও জিন শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার নির্দেশনার মধ্য দিয়ে। বর্তমান সময়ে ‘মানুষ শয়তান’-এর প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে যে লক্ষ্য ও চেতনা সামনে এসেছে, তা এখনো পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়নি। দেশ সংস্কারের সেই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন হলে আরও ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের আধ্যাত্মিক উন্নয়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেমন কাপড় পরিষ্কার করার জন্য লন্ড্রিতে দেওয়া হয়, তেমনি আত্মার পরিশুদ্ধির জন্য আল্লাহভীরু মানুষের সান্নিধ্যে থাকা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ,ববি শাখার সভাপতি আবু সালেহ মুহাম্মদ হাসিবুল্লাহ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, পাশ্চাত্য ও ব্রাহ্মণ্য অপসংস্কৃতির প্রভাবে যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় উদ্বেগজনক। জাতি এক ধরনের নৈতিক শূন্যতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আত্মিক পরিশুদ্ধি অপরিহার্য। এ লক্ষ্যেই সংগঠনের পক্ষ থেকে ইসলাহী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলন আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক এবং এটি শিক্ষার্থীদের অপরাজেয় মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ মাহমুদ বলেন, সংক্ষিপ্ত হলেও তথ্যসমৃদ্ধ এ আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান বিশ্বরাজনীতি, পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ইসলামী শাসনব্যবস্থা, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য এবং আমল-ইমান সম্পর্কিত বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একজন ইসলামী রাজনৈতিক নেতার উপস্থিতি শিক্ষার্থীদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। আলোচনায় সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

উল্লেখ্য , অনুষ্ঠান শুরু পূর্বে মুফতি ফয়জুল করীম বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত “জুলাইয়ের প্রথম স্বাধীন ক্যাম্পাস: গণমাধ্যমের চোখে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়” শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। এসময় ববিসাস ও ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ববি শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে থমথমে বেরোবি, নিরাপত্তা জোরদার

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন রংপুর মহানগর ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইমরান হোসেন, সদস্য সচিব নূর হাসান সুমন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকারিয়া ইসলাম জিম, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরীফ নেওয়াজ জোহা, সদস্য সচিব আফতাবুজ্জামান সুজন, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল ইমরান সুজন এবং সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রবি।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেন। একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়। সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশঙ্কায় ক্যাম্পাসজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এর আগে সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন। ওই ঘটনার পর থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অতিথি, দর্শনার্থীসহ সব ধরনের বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। একই সঙ্গে বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, রিকশা, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনের প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের টহলও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এদিকে চলমান পরিস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশঙ্কায় অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজন ছাড়া ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন না।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ইয়ামিন বলেন, “যারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করবে এবং জুলাইয়ের চেতনাকে খাটো করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সর্বাত্মক প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।”

তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, “পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “সোমবারের ঘটনার পর আমরা দুই ছাত্র সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আজকের কর্মসূচিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নয়; এটি রংপুর মহানগর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মসূচি। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”

অন্যদিকে, সোমবার রাতের ঘটনার প্রতিবাদ এবং গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ইসলামী ছাত্রশিবির ‘অদম্য জুলাই’ শিরোনামে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় কারমাইকেল কলেজ থেকে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে। এ কর্মসূচিকে ঘিরেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

কুবির ১৪ শিক্ষার্থীকে ‘স্পোর্টস স্কলারশিপ’ প্রদান

Published

on

By

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের ১৪ জন শিক্ষার্থীকে ‘স্পোর্টস স্কলারশিপ’ প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ৩এ টায় শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এ স্কলারশিপ প্রদান করা হয়।

‘স্পোর্টস স্কলারশিপ ২০২৫-২৬’ বর্ষে ৬ টি ইভেন্টে (ছেলে-মেয়ে) ১৪ জনকে মনোনীত করা হয়। প্রতি ইভেন্ট থেকে দুই জন করে স্কলারশিপের জন্য মনোনীত হলেও ফুটবল ও ভলিবল (ছেলে) ইভেন্ট থেকে ৩ জন করে মনোনীত করা হয়েছে।

শারীরিক শিক্ষা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মবিরুল আলমের সঞ্চালনায় এবং ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, “আজ যে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে; তা নিষ্ঠা, পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ এবং কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি। কাজের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে যখন মূল্যায়ন করা হয়, তখন সেই স্বীকৃতি আরও বেশি অর্থবহ হয়ে ওঠে।
এই পুরস্কার প্রমাণ করে যে আপনারা ধারাবাহিক প্রচেষ্টা করেছেন।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়। এটি সুস্থ ও সুন্দর জীবনের অপরিহার্য অংশ। নিয়মিত খেলাধুলা মানুষের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক শক্তি যোগায়। খেলাধুলা আমাদের আনন্দময় রাখে, মানসিক চাপ কমায় এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এটি পড়াশোনায় মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খেলাধুলায় পারদর্শী হলে জব সেক্টরে এগিয়ে থাকা সম্ভব।”

সভাপতির বক্তব্যে ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন বলেন, “খেলাধুলা শুধু নেতৃত্বই তৈরী করে না। তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তির মতো ভয়াবহ অভিশাপ থেকে দূরে রাখে। যারা নিয়মিত খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকে, তারা অবসর সময়কে ইতিবাচক কাজে ব্যয় করে। এতে খারাপ সঙ্গ, অপরাধ ও মাদকের প্রতি আকর্ষণ কমে যায়।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবিতে শিবির-ছাত্রদল পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে থানায় চিঠি

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)-এ জুলাই- আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে দিনব্যাপী কর্মসূচি একটি ব্যানার কে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় রংপুর মহানগর ছাত্রদল ও শিবির আবু সাঈদ চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে । ক্যাম্পাসের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করতে রংপুর তাজহাট থানা অফিসার ইনচার্জ আবেদন জানিয়েছে বেরোবি প্রশাসন ।

মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় রংপুর মহানগর ছাত্রদল শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে । অন্যদিকে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় রংপুর মহানগর ছাত্রশিবির লালবাগ থেকে একটি বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে একই আবু সাঈদ চত্বর( বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ং নম্বর গেট) জায়গায় সমাবেত হওয়ার কর্মসূচি দিয়েছে ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডাক্তার ফেরদৌস রহমানের স্বাক্ষরিত এক চিটিতে উল্লেখ করা হয় , বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় -এ গত ০৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মধ্যে অনাকাঙ্খিত ঘটনার প্রেক্ষিতে ০৫ (পাঁচ) জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহতসহ আরোও ২০ (বিশ) জন শিক্ষার্থী আহত হওয়ায় তারা রংপুর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে আজ ০৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, -এর প্রধান গেইট-এ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল একই জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল ও সভা সমাবেশের ডাক দেওয়ায়, ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে। তাই উক্ত সময়ে ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নিমিত্তে ১৪৪ ধারা জারিসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

অন্য একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে , ক্যাম্পাসে বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ক্যাম্পাসে বহিরাগত দর্শনার্থীসহ সকল প্রকার যানবাহন প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।

১৪৪ ধারা জারি বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ফেরদৌস রহমান বলেন, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির একই জায়গায় সমাবেশের ডাক দেয়ায় আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশকে শান্ত স্থিতিশীল রাখার জন্য ১৪৪ ধারা জারির ব্যবস্থা নিয়েছি ।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রাশেদ বলেন, ১৪৪ ধারা জারির জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। সেটি রংপুর মেট্রোপলিটন কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে । সেখান থেকে সিদ্ধান্ত হবে ১৪৪ ধারা জারি করা হবে কি না।

Continue Reading

Trending