Connect with us

ক্যাম্পাস

রাকসু নির্বাচনে লড়বেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী নাঈম

Published

on

‘আমার বন্ধুরা বলেছে তুমি পারবে’

প্রান্ত কুমার দাশ, রাবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম হোসেন। জন্মগতভাবে যিনি একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। অথচ দৃষ্টিহীন হয়েও তিনি দেখতে পান এমন এক স্বপ্ন—যা অনেক সক্ষম মানুষও দেখার সাহস পায় না। সেই স্বপ্ন হলো পরিবর্তনের। আর এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার। ‘সহকারী পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক’ পদে জমা দেন মনোনয়ন পত্র। প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকায়ও তার নাম এসেছে। তার এই যাত্রায় অনুপ্রেরণা হিসেবে হাজির হয়েছে তার বন্ধুরাসহ অনেকেই। সকলের কথা বলতে গিয়ে নাঈম বললেন, ‘আমার বন্ধুরা বলেছে তুমি পারবে। তুমি সেই ব্যক্তি যার দ্বারা কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব।’

নাঈম ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি লক্ষীপুর জেলার সদরে। জন্ম থেকেই চোখে আলো না পাওয়া এই তরুণের পৃথিবী আর আট-দশ জন তরুণের মতো নয়। সম্পূর্ণ আলাদা। ছোট থেকে লড়াই সংগ্রামে মাঝে ভর্তি হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে।বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশে, শত প্রতিকূলতার মাঝেও, তিনি যা ভাবেন, তা হয়তো আর আট-দশ জন ভাবতে পান না। শিক্ষার্থী হয়ে নাঈমের মতো দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীদের মতো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারেন না। লাইব্রেরির মতো প্রতিষ্ঠানেও তাদের জন্য নেই কোনো বিকল্প ব্যবস্থা। যে সমস্যা নিয়ে নাঈম কতৃপক্ষকে বার বার বলতে গেলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন নাঈম হোসেন।

বেশ আক্ষেপ নিয়ে নাঈম বললেন, ‘অন্ধত্বের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আমার অ্যাক্সেস (প্রবেশাধিকার) নেই। প্রশাসনকে অনেকবার এ কথা জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমার কথা আমলে নেননি।’ কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করলেন, ‘আমি কোনো লিগ্যাল অথোরিটি (বৈধ কতৃপক্ষ) ছিলাম না। রাকসুতে যদি একজন প্রার্থী হিসেবে আসতে পারি, তবে কিছু বলার অধিকার পাবো।’ 

দীর্ঘ তিনযুগ পর ক্যাম্পাস জুড়ে রাকসু নির্বাচনের আমেজ, ক্লাসরুম থেকে চায়ের দোকান—সর্বত্র প্যানেল-প্রার্থীদের নিয়ে চলছে সুক্ষ্ম বিশ্লেষণ। এই সময়ে প্রার্থীরাও যখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের মন জয়ে ব্যস্ত; তখন নাঈমদের মতো এসব বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভাববার যেন কেউ নেই। অথচ এই শিক্ষার্থীদের নিয়েই ভাবতে চান নাঈম হোসেন। আবার শুধু যে এই শিক্ষার্থী তাও নয়, কাজ করতে চান ক্যাম্পাসের সকলের জন্য। এই তরুণ ভাঙতে চান সমাজের প্রচলিত ধারণা। সেই লক্ষ্যেই নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষণা করা বলে জানিয়েছেন তিনি।

অদম্য এই নাঈম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (পিডিএফ)-এর একজন সদস্য। বুধবার নাঈম হোসেনের সঙ্গে এই প্রতিবেদক কথা বলেন।

নির্বাচনে আসার পেছনে কোনো বিশেষ কোনো ঘটনা বা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চান এই প্রতিবেদক। নাঈম বললেন, ‘ক্যাম্পাসে কাটানো তিন বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমি এটুকুই বুঝেছি যে, আমাদের ক্যাম্পাসের যে পরিবেশ তা মানুষের জন্য খুবই নিম্ন মানের। আমার মনে হলো, এই অবস্থার পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। আমি এই অবস্থার পরিবর্তনে কাজ করতে চাই।’

তবে এই কাজ সবার জন্য বলে জানালেন নাঈম। তিনি বললেন, ‘ক্যাম্পাসের ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (পিডিএফ) সদস্যরা আমার পরিবারের মতো। তাদের জন্য কাজ করা আমার দায়িত্ব। তবে আমি শুধু তাদের নয়, সব শিক্ষার্থীর জন্যই একটি সুন্দর ক্যাম্পাস গড়তে চাই।’

এই কঠিন পথে চলার সাহস তিনি পেয়েছেন বন্ধু ও পিডিএফ-এর সদস্যদের কাছ থেকে। তাদের অনুপ্রেরণাতেই নাঈম আজ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছেন। নির্বাচনে জয়-পরাজয় নিয়ে তিনি চিন্তিত নন, বরং আত্মবিশ্বাসী। একটি কথা তিনি বার বার বললেন, ‘আমি বদলাতে চাই, আমি পরিবর্তন চাই।’

নাঈম বললেন, ‘বন্ধুরাসহ আমার পিডিএফ পরিবার বলেছে তুমি সেই ব্যক্তি যার দ্বারা কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব। আমি সর্বোপরি সবার জন্য, যারা ক্যাম্পাসে ভুগছে, তাদের জন্য হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে কাজ করতে চাই। আমি সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস নিয়ে কাজ করতে চাই।’

নাঈমের এই লড়াই কেবল একটি নির্বাচনে জেতার জন্য নয়, বরং সমাজের গভীরে থাকা একটি ধারণা ভাঙার লড়াই। তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাজে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের জন্য কিছু করতে পারে না। আমি এই ধারণা ভেঙে দিতে চাই।’

নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বলে জানান নাঈম। তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচনে জয়-পরাজয় নিয়ে চিন্তিত নই। কিন্তু আমি আত্মবিশ্বাসী যে, ইনশাআল্লাহ পারব। সকলের কাছে বার্তা থাকবে যে, আমি বদলাতে চাই। আমি পরিবর্তন করতে চাই। এটাই আমার বার্তা। এখন পর্যন্ত সবার থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি।’

নির্বাচনের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তে কোনো নেতিবাচক মন্তব্যের শিকার হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যখনই প্রার্থীতার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তখন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নেতিবাচক মন্তব্য পাইনি। তবে ভবিষ্যতের কথা বললে পারছি না। আর অন্যান্য ক্যাম্পাসে দেখেছি যে, ডিজএবল শিক্ষর্থীদের নিয়ে অনেক কথা উঠছে।’

নির্বাচনী প্রচারণা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আমি একজন মানুষের ভোট নিচ্ছি, মানে আমি তার দায়িত্ব নিচ্ছি। তাই সবার আগে আমার দায়িত্ব তাকে বোঝানো, আমাকে কেন ভোট দেবে। এক্ষেত্রে আমি সরাসরি সাক্ষাৎকে বেশি উৎসাহিত করবো। এটা আমার ব্যক্তিগত কৌশল হবে।’

ছোটবেলা থেকেই মানুষের জন্য কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন নাঈম। তিনি বলেন, ‘কেবল চাকরির পেছনে ছোটা আমার লক্ষ্য নয়। আমি স্বাধীনভাবে সমাজের জন্য এমন কিছু করতে চাই, যা মানুষের উপকারে আসবে।’

প্রান্ত কুমার দাশ 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

০১৭৫১৬৮৭৪৪৯

১০

ক্যাম্পাস

রাবির খুলনা জেলা সমিতির সভাপতি ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী

Published

on

By

‘বাঘের গর্জন নদীর বাঁকে, ঐক্য মোদের প্রাণের ডাকে’ এই স্লোগানকে ধারণ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অধ্যয়নরত খুলনা জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন এর ২০২৬-২০২৭ সেশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল আলমকে সভাপতি এবং ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি শাহরিয়ার অনিক (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ) ও তটিনী তারান্নুম (ফিশারিজ বিভাগ)। যুগ্ম সম্পাদক পদে রয়েছেন শাহ্ নেওয়াজ শেখ (মার্কেটিং বিভাগ), নাফিজ নেওয়াজ তূর্য (হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগ) এবং কৌশিক আহমেদ অভি (মার্কেটিং বিভাগ)। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এস. কে. নাহিদ হাসান (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ) ও জিলকর নবাব (মার্কেটিং বিভাগ)।

এছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তানজিম আহমেদ অভি (হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগ)। প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নাফিসা মৃদুলা (ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ) ও আসাদুল্লাহ আল গালিব (ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ)। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ঐশ্বর্য মণ্ডল (আইন বিভাগ)।

এক বছরের জন্য গঠিত এ কার্যনির্বাহী কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত খুলনা জেলার শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাংগঠনিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

মেয়াদ শেষ, প্রভোস্ট ছাড়াই চলছে ইবির লালন শাহ হল কার্যক্রম

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হল প্রভোস্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পাচঁদিন অতিবাহিত হলেও প্রভোস্ট নিয়োগ দেননি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে হলের কার্যক্রম ব্যাহত এবং হাউস টিউটরের স্বাক্ষর নিয়েই চলছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, চলতি মাসের গত ১৪ মে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খানের মেয়াদ শেষ হয়। নতুন প্রশাসনের রদবদলে সিদ্ধান্তহীনতায় আটকে আছে ওই পদটি।

সূত্র বলছে, চলতি মাসে মেয়াদ শেষ হওয়া প্রভোস্ট জামায়াতপন্থি হওয়ায় বর্ধিত মেয়াদে পুনরায় দায়িত্ব অর্পণ এবং নতুন করে যে কাউকে প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে সিদ্ধান্তহীনতায় আটকে আছে ওই হলের প্রভোস্ট পদটি। তবে আজকালের মধ্যে বিকল্প চিন্তা করছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একজন হলের হাউস টিউটরকে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে রুটিন দায়িত্ব দিতে পারে প্রশাসন।

জানতে চাইলে সদ্য মেয়াদ শেষ হওয়া প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খান বলেন, “আমার মেয়াদ শেষ ১৪ তারিখ। প্রশাসন এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। পদটি আপাতত খালি আছে। কেন দেননি জানি না। প্রশাসন যেটা ভালো মনে করে সেটা মেনে নিব।”

এবিষয়ে জানতে চাইলে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “প্রশাসন যেটা ভালো মনে করেন সেভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন। প্রক্রিয়া চলমান, দ্রুত ব্যবস্থা করা হবে।”

Continue Reading

top1

বাসে সিনিয়র-জুনিয়র মারামারির ঘটনায় ইবি ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ, আহত ৪

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী বাসে (মধুমতি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীকে লোকপ্রশাসন বিভাগের এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর মারধরের ঘটনায় দুই বিভাগের মধ্যকার দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) রাত সাড়ে আটটার বাস ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময় প্রধান ফটকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে বাসে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সায়মন আহমেদ হৃদয় এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অন্তর বিশ্বাস।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মধুমতি বাস নিয়ে ঝিনাইদহের উদ্দেশে রওনা হন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা। এসময় হৃদয়সহ তাঁর কয়েকজন বন্ধু বাসে উচ্চস্বরে কথাবার্তা ও হইচই করছিলেন। এতে বিরক্ত হয়ে অন্তরের পাশের সিটে বসা এক শিক্ষার্থী তাঁদের থামতে বলেন। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে হৃদয় তেড়ে এসে অন্তরের গায়ে হাত তোলেন এবং উপর্যুপরি আঘাত করেন। বাসের এই ঘটনার জের ধরে অন্তর ও হৃদয়ের বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে অবস্থান নেয় এবং রাত আটটার বাসে অভিযুক্ত হৃদয় ক্যাম্পাসে প্রবেশের পরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামানের উপস্থিতিতেও ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ মোতায়েন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি, ট্রেজারার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত হয়ে পরিবেশ শান্ত করে।

এদিকে ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুল করিম, বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাগর, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী রাসু প্রধান ফটকের সামনে সংঘটিত সংঘর্ষে আহত হন। পরে ইবি মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল চিকিৎসক তাদের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, “একজনের নাকে, আরেক শিক্ষার্থীর পায়ের আঙুলে, অন্যজনের ঘাড়ে সামান্য আঘাত ছিল। ট্রিটমেন্ট দেওয়ার পর ঠিক হয়ে গেছে। বড় ধরনের সমস্যা নেই।”

এবিষয়ে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, “ঘটনার পর রাত আড়াই পর্যন্ত উভয় পক্ষের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে মীমাংসা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা ক্ষমা চাওয়ায় এবং ভুক্তভোগীরা ক্ষমা করে দেওয়ায় বিষয়টি সমাধান হয়েছে। উভয় পক্ষ মুচলেকা দিয়েছে।”

Continue Reading

Trending