Connect with us

top2

শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে দিলে ভারতের ইন্ধন হিসেবে দেখা হবে: আসিফ মাহমুদ

Published

on

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে সেটিকে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে ভারতের প্রত্যক্ষ ইন্ধন হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদদের জন্য দোয়া ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় ভারতের উচিত শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া। তার দাবি, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া বা না দেওয়ার সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের কোনো প্রভাব পড়বে না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ভারতও শেখ হাসিনাকে রাখতে আগ্রহী নয়।

তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটলেও দুই বছর পরও সেই ব্যবস্থার সম্পূর্ণ অবসান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এনসিপির এই মুখপাত্রের মতে, গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এখনো প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা জরুরি। এ সময় তিনি জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের আহ্বান জানান।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

‘জুলাই কার’, এই বিতর্ক করলে জুলাই কারও থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের একক অর্জন নয় উল্লেখ করে এ নিয়ে বিভাজনমূলক বিতর্ক থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘জুলাই কার’ এই প্রশ্নে বিভক্ত হলে শেষ পর্যন্ত জুলাই কারও থাকবে না; বরং গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সে রকম একটা স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তির পরে আমরা যদি বলি, জুলাই কার, জুলাই কার, তাহলে জুলাই আমাদের কারোরই থাকবে না। এই অবস্থা থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে।’

তিনি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক বড় পরিবর্তন অল্প সময়ের মধ্যেই সংঘটিত হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানও তেমনই একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তবে এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের আন্দোলন, গুম, খুন, নির্যাতন ও আত্মত্যাগের ইতিহাস। তাই শুধু জুলাইয়ের ৩৬ দিন নয়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চলমান আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতাকেও মূল্যায়ন করতে হবে।

নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা গুম, হত্যা, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, মীর কাসেম আলী একসময় তাকে সতর্ক করেছিলেন যে দেশে না ফিরলে তার ছেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। পরে তিনি নিজেও গ্রেপ্তার হন এবং তার ছেলেকেও আটক করা হয়।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ বন্ধ থাকায় আন্দোলন রক্তাক্ত হয়ে ওঠে। বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী ও পরিবার এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইলিয়াস আলীর মতো অনেকেই গুম হয়ে আর ফিরে আসেননি। এসব আত্মত্যাগের ইতিহাস বাদ দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয়।

জুলাই জাতীয় সনদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে সংস্কার কার্যকর করতে হবে। সংসদে সংশোধনী পাসের মাধ্যমেই সংস্কারের বাস্তবায়ন সম্ভব।

গুম প্রতিরোধে পৃথক আইন প্রণয়নের উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। বলেন, গুমসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হবে। পাশাপাশি জুলাইয়ে আহতদের ক্ষতির মাত্রা অনুযায়ী ক, খ ও গ শ্রেণিতে সহায়তা দেওয়া এবং এখনো তালিকাভুক্ত না হওয়া ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের বিচার প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ব্যক্তি যেমন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন, তেমনি কোনো রাজনৈতিক দলও আইনের আওতায় আসতে পারে। তবে নির্বাহী আদেশে কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তিনি। এ বিষয়ে আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন বলে মন্তব্য করেন।

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আর কোনো দিন যেন ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জুলাই জাদুঘরকে তিনি ‘জীবন্ত ইতিহাস’ হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই এখন সবার প্রধান দায়িত্ব।

Continue Reading

top2

বিদেশি অতিথিদের সামনে হেনস্তা হলাম, খুব ব্যথিত হয়েছি: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা ও ওয়াকআউটের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে এ ধরনের ঘটনা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং এতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ব্যথিত হয়েছেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি প্রামাণ্যচিত্রে জুলাই শহীদ আবু সাঈদের ছবি না থাকায় উপস্থিত একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। একপর্যায়ে হট্টগোল ও ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি শান্ত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করলেও বিক্ষোভ থামেনি। পরে কয়েকজন বিদেশি অতিথিও অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

এ ঘটনার প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, সকালে অত্যন্ত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান হয়েছে এবং সেখানে জাতীয় ঐক্যের চিত্র ফুটে উঠেছিল। তবে প্রামাণ্যচিত্রে কিছু ভুল ছিল। তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদের ছবিই দেখলাম না। ভুল হতেই পারে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ক্ষমাও চেয়েছেন। তারপরও যে ঘটনা ঘটল, তা অত্যন্ত অনভিপ্রেত। বিদেশিদের সামনে আমি হেনস্তা হলাম, খুব ব্যথিত হয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, বিদেশি অতিথিরা অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যাওয়ায় দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা যায়নি। জাতীয় ঐক্যের পরিবর্তে বিভক্তির চিত্র উঠে এসেছে। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সংসদের মতো ওয়াকআউটকে তিনি মোটেও শোভনীয় নয় বলেও মন্তব্য করেন।

বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্রপতির সামনে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এখানে এসেছি, উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। ভুল হলে তা ধরিয়ে দেবেন, আমরা সংশোধন করব। কিন্তু বিশৃঙ্খলা করে কোনো লাভ নেই।’

সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার এবং এই সরকার আওয়ামী লীগের পথ অনুসরণ করবে না। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোনো অনুশোচনা নেই। তারা দেশে আসার ঘোষণা দেয়; আসুক, দেখা হবে রাজপথে।’

জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার তাদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করবে। শহীদদের মর্যাদা রক্ষা এবং আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

Continue Reading

top2

কারাগারে নেওয়ার পথে এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিনকে ডিম নিক্ষেপ

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে করা সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এ সময় আদালত চত্বরে তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করেন ছাত্রদলের কয়েকজন বিক্ষুব্ধ কর্মী।

বুধবার (৫ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর মনিপুরী এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।

শুনানি শেষে সদর আমলি আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতের আদেশের পর তানভীরকে কারাগারে নেওয়ার সময় আদালত চত্বরে সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাফিউল ইসলামের নেতৃত্বে একদল ছাত্রদল নেতাকর্মী তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সিলেটে এনসিপির পথসভায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন গাজী সালাউদ্দিন তানভীর। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিলে তিনি সেটি মুছে ফেলেন এবং প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেন।

এ ঘটনায় বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল গত ২ আগস্ট বগুড়া সদর থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৯ জুলাই গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে একটি আপত্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট দেওয়া হয়। ওই পোস্টে উসকানিমূলক বক্তব্য থাকায় তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। পরে সমালোচনার মুখে তানভীর পোস্টটি মুছে ফেলেন।

কারাগারে নেওয়ার সময় ডিম নিক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, এটা তাদের দলের পক্ষ থেকে আবেগের বহিঃপ্রকাশ। আমরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দিইনি।

রিমান্ডের বিষয়ে ইকবাল বাহার বলেন, আমরা রিমান্ডের আবেদন করব। এ ঘটনায় তার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ওই পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় গত ১ আগস্ট এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিবের পদ থেকে তানভীরকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে দুই কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। পরে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

Continue Reading

Trending