Connect with us

top3

সুইজারল্যান্ড ম্যাচে আর্জেন্টিনার একাদশে আসতে পারে দুই পরিবর্তন

Published

on

স্পোর্টস ডেস্ক:

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব স্বাচ্ছন্দ্যে পার করলেও নকআউট পর্বে প্রতিটি ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে কেপ ভার্দেকে অতিরিক্ত সময়ে হারানোর পর শেষ ১৬-তে মিসরের বিপক্ষেও নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির দল।

এবার সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটিতে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি জানান, মিসরের বিপক্ষে জয় পাওয়া দলটির ওপরই তার আস্থা রয়েছে। তবে প্রতিপক্ষের ধরন ও ম্যাচের কৌশল বিবেচনায় শুরুর একাদশে এক বা দুটি পরিবর্তন আসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

স্কালোনি বলেন, “আমরা একই একাদশ নিয়ে অনুশীলন করেছি। সেই দল নিয়েই খেললে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে ছোটখাটো পরিবর্তন হতে পারে। মূলত গত ম্যাচের কাছাকাছি একটি দল নিয়েই আমরা মাঠে নামতে চাই।”

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের তথ্য অনুযায়ী, একাদশে দুটি পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। মিসরের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে ভালো পারফরম্যান্স করা গঞ্জালো মন্টিয়েলকে শুরু থেকেই খেলানো হতে পারে। এছাড়া মিডফিল্ডে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের জায়গায় নিকো গঞ্জালেসকে দেখা যেতে পারে।

অন্যদিকে, মিসরের বিপক্ষে শুরুর একাদশে সুযোগ পাওয়া জুলিয়ান আলভারেজই সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও লিওনেল মেসির সঙ্গে আক্রমণভাগে দায়িত্ব পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, নিকো গঞ্জালেস, লিওনেল মেসি ও জুলিয়ান আলভারেজ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

‘শিক্ষার্থীদের দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে’

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান বলেছেন, শুধু পেশাগত দক্ষতা অর্জনই যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জাহেদুর রহমান বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা একদিকে দক্ষ পেশাজীবী হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করবে, অন্যদিকে মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নবীন শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি যুগোপযোগী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top3

ইবিতে আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২৯ তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২৯তম ব্যাচের (মাস্টার্স ২০২৩-২৪) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১১টায় বিভাগের ৪০৩ নং কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

এসময় আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আকতার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং বিদায়ী শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ আল গালিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে.এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামী শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দার আলী, বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম ওয়ালিউল্লাহ, বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আকতার হোসেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বিদায়ী কৃতী শিক্ষার্থীদের নানাবিধ সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেষ্ট প্রদান করা হয় এবং সকল বিদায়ী শিক্ষার্থীকে বিদায়ী ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

ব্যাচের প্রতিনিধি আলী আহসান মুহাম্মদ জুবাইর বলেন, আজকের এই বিদায়ের মুহূর্ত আমাদের জন্য আনন্দ ও বেদনার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহে আমরা সফলভাবে আমাদের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করতে পেরেছি। আমাদের সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী শুধু পাঠদানই করেননি, বরং গবেষণা, চিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়ে আমাদের ভবিষ্যতের পথ দেখিয়েছেন। করোনা মহামারি, সেশনজট ও নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আমরা আজ এই পর্যায়ে পৌঁছেছি এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো ঐতিহাসিক সময়েরও সাক্ষী হয়েছি। শ্রেণিকক্ষের বাইরেও আমাদের সহপাঠীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব ও সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সফল হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সম্মান আরও উজ্জ্বল করবে। এই বিদায় কোনো সমাপ্তি নয় বরং নতুন পথচলার সূচনা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে.এম মতিনুর রহমান বলেন, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এখানে আপনারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন, আদর্শ ও বাণী অধ্যয়ন করেছেন। এখন সময় এসেছে সেই জ্ঞান সমাজ, রাষ্ট্র ও মানবকল্যাণে কাজে লাগানোর। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি বিশেষ শক্তি হলো নীতি, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ। এই গুণই আপনাদেরকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে। মনে রাখতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ডিগ্রি অর্জনের স্থান নয়; এটি গবেষণা, জ্ঞানচর্চা ও সমাজ পরিবর্তনের কেন্দ্র। আমাদের দেশ এখনো উন্নয়নশীল। তাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে সাধারণ মানুষের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। অর্জিত জ্ঞানকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করাই হবে আপনাদের প্রকৃত সাফল্য।

Continue Reading

top3

‘পাকিস্তান ভাঙতে চাননি শেখ মুজিব, তাই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি’

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক:

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের লক্ষ্য পাকিস্তানকে ভেঙে দেওয়া ছিল না। সে কারণেই ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান শুরুর আগে তাজউদ্দিন আহমেদের অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

শনিবার (১১ জুলাই) ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন বলেন, তাজউদ্দিন আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে জানিয়েছিলেন যে পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং জনগণ স্বাধীনতা চায়। কিন্তু শেখ মুজিব নাকি তখন বলেছিলেন, তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চান না এবং পাকিস্তান ভাঙার সঙ্গে নিজের নাম জড়াক—সেটিও তিনি চান না। এ কারণেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও দমন-পীড়নের মুখে যখন দেশবাসী দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ গড়ে তোলে। একই সময়ে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে মানুষকে সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। তার ভাষায়, এটিই প্রকৃত ইতিহাস।

স্পিকার আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না; এটি ছিল সমগ্র জনগণের মুক্তির সংগ্রাম। স্বাধীনতার পর একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃত করে শুধু ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে স্বাধীনতার কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অন্যের অবদান নিজেদের নামে নেওয়ার প্রবণতা রাজনীতিতে প্রায়ই দেখা যায় এবং অনেকেই নিজের দলের নেতার বাইরে অন্য কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান না।

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকা তুলে ধরে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন বলেন, সে সময় পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টটির মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে তারা পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং সাধারণ মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানায়। তার মতে, এই প্রতিরোধই পরবর্তী নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি তৈরি করেছিল।

নিজের সেনাজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, মূলত ফুটবলের প্রতি আগ্রহ থেকেই তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। পরে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের উৎসাহে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জিয়াউর রহমান, মেজর আব্দুল গনি এবং ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকারী ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান মজুমদারের অবদানের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা ও সৈনিকদের পারস্পরিক আস্থা ও ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।

Continue Reading

Trending