মূল অংশে যান
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ · ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ · ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি ✍️ Blog / Citizen Journalism👤 লগইন
ব্রেকিং
ক্যাম্পাস

ঐক্যবদ্ধ শক্তি দেশের বাঁক পরিবর্তন করতে পারে : নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রেজারার

অলটাইম নিউজ ডেস্ক প্রকাশ: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ · আপডেট: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ · ২ মিনিটে পড়ুন
ঐক্যবদ্ধ শক্তি দেশের বাঁক পরিবর্তন করতে পারে : নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রেজারার
ছবি: রাশেদ হোসেন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিন শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকাউত্তোলন এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা।

পতাকা উত্তোলন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, দিবসটির গুরুত্ব এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা বলেন, ‘১৯৭১ সালে দেশের মানুষ যে আশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিল, পরে সেই চাওয়া-পাওয়ার বিস্তর ব্যবধানে মানুষের মনে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর দেশে এক বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়। সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ড ভেঙে যায়। এর মধ্যে ৩ নভেম্বর এক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করা হয়। পরে ৭ নভেম্বর সিপাহি ও জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই নেতাকে মুক্ত করা হয়। সেদিন আন্দোলনরত সিপাহি-জনতা তাঁকে মাথায় নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছিল।’

ঐক্যবদ্ধ শক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ট্রেজারার আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে চাইলে দেশের বাঁক পরিবর্তন করতে সক্ষম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব এবং ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়েও এর প্রমাণ মিলেছে। এখন সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এই দেশকে সুন্দরভাবে গড়তে পারলেই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য ফলপ্রসূ হবে।’

দিবসটি উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. তানজিল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্যসচিব মামুন সরকার।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খন্দকার নাজমুল হাসান, আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এইচ এম কামাল, বিদ্রোহী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা, অর্থনীতি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. বখতিয়ার উদ্দিন, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, দিবসটি উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহৎ পরিসরে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

প্রতিক্রিয়া জানাতে বা খবর সংরক্ষণ করতে লগইন করুন · নতুন? অ্যাকাউন্ট খুলুন (বিনামূল্যে)

💬 মন্তব্য

✍️ মন্তব্য লিখুন… — মন্তব্য করতে বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন
আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট আছে? লগইন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য লেখকের নিজস্ব মত, AllTimeNews-এর নয়। অশালীন, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা বিজ্ঞাপনমূলক মন্তব্য মুছে ফেলা হবে। · গোপনীয়তা / Datenschutz