Connect with us

top3

রক্তিমার ৪ দফা দাবিতে ইবি উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধ এবং পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় ৪ দফা দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রক্তিমা’।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমানের কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামান।

স্মারকলিপিতে ৪টি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো- (১) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে অবিলম্বে ধূমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণা করতে হবে, (২) ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে, (৩) ক্যাম্পাসজুড়ে দৃশ্যমান স্থানে ‘No Smoking Zone’ সাইনবোর্ড স্থাপন করতে হবে এবং (৪) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা পার্থেনিয়াম আগাছা দ্রুত নিধন ও নিয়মিত পরিষ্কার কার্যক্রম চালু করতে হবে।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ক্যাম্পাসে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ক্যাম্পাসকে ধূমপানমুক্ত ঘোষণা এবং তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পার্থেনিয়াম আগাছার বিস্তার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ। এছাড়া পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান করলে জরিমানার বিধান রয়েছে। আইনের যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে পরিণত করা সময়ের দাবি।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ধূমপান শুধু ধূমপায়ীর জন্য নয়, বরং আশপাশের মানুষের জন্যও সমান ক্ষতিকর। প্যাসিভ স্মোকিংয়ের ফলে ক্যান্সার, হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। অন্যদিকে পার্থেনিয়াম আগাছা ত্বকের রোগ, অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করার পাশাপাশি পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে।

স্মারকলিপি গ্রহণ শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, “দাবিগুলো অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তবে দীর্ঘদিনের অভ্যাস হওয়ায় ধূমপান একেবারে বন্ধ করা তুলনামূলক কঠিন। তোমরা এ বিষয়ে ক্যাম্পেইন করে সচেতনতা তৈরি করতে পারো। আইনি কঠোরতার পাশাপাশি সচেতনতার মাধ্যমেও এ সমস্যার সমাধানে কাজ করতে হবে। ক্যাম্পাসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে প্রশাসন ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তোমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

কুবি শিক্ষকের ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তুহিন (১৮) নামে সন্দেহভাজন এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম।

তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তদন্তের স্বার্থে একজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখনই তার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব নয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান অপ্রতিম। বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি সে। পরে অপ্রতিমের বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের পরদিন শনিবার দুপুর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটের পাশে লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা গ্রামের ঝোঁপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অপ্রতিম কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী

Continue Reading

top3

সিসিটিভি ফুটেজে কার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল অপ্রতিমকে

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিখোঁজের একদিন পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম।

আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর সানন্দা গ্রামে লালমাই পাহাড়ের নির্জন স্থানে তার রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল টিম এটি অপ্রতিমের লাশ বলে নিশ্চিত করে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল টিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সিসিটিভি ফুটেজে তুহিন নামের স্থানীয় এক ছেলেকে অপ্রতিমের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে দেখে। তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। আমরা সেটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি। তারা কাজ করছেন।

এ বিষয়ে মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল) বলেন, আমরা নিখোঁজ হওয়া শিক্ষার্থীর রক্তাক্ত লাশ পেয়েছি। ঘটনাটির সঙ্গে কারা জড়িত, সেই বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি।

প্রসঙ্গত, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার শুক্রবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল

Continue Reading

top3

‎‎কোটবাড়ি থেকে কুবি শিক্ষকের ১৩ বছরের ছেলে নিখোঁজ‎

Published

on

By

‎কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে অপ্রতিম (১৩) নামে এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে তাঁর পরিবার।

‎নিখোঁজ অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপ্রতিমের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট, গায়ের রং শ্যামলা। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে পাঞ্জাবি ছিল।

‎পরিবার সূত্রে জানা যায়, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। তার লোকেশন ট্র্যাকিং করে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা যায়। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

‎নিখোঁজ অপ্রতিম মা ড. নাহিদা বেগম বলেন, “আমার ছেলেকে আমি বিকেল তিনটা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নাই। আপনারা দয়া করে আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন।”

‎অপ্রতিমের পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। কেউ অপ্রতিমের সন্ধান পেলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে—
শাহরিয়ার (বাবা): ০১৭১৯-৬২৫৬৯০
‎ড. নাহিদা বেগম (মা): ০১৭১৯-৯০০৭৬৯

Continue Reading

Trending