মূল অংশে যান
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ · ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ · ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি ✍️ Blog / Citizen Journalism👤 লগইন
ব্রেকিং
অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য

চামড়াশিল্পে তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ

অলটাইম নিউজ ডেস্ক প্রকাশ: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ · আপডেট: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ · ২ মিনিটে পড়ুন
চামড়াশিল্পে তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ
বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সম্প্রতি ইস্তাম্বুল পরিদর্শন করেন। ছবি : বাসস

নগর ও শিল্পবর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং চামড়াশিল্পের আধুনিকায়নে তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে প্রযুক্তি, পরিচালন পদ্ধতি ও শিল্প অবকাঠামো সম্পর্কে ধারণা নিতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ৪ নভেম্বর ইস্তাম্বুল মেট্রোপলিটন মিউনিসিপ্যালিটির বর্জ্য দহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। সেখানে কর্মকর্তারা গৃহস্থালি বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং তা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।

ইস্তাচ পরিচালিত কেন্দ্রটির দৈনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ সক্ষমতা ৩ হাজার টন। এর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৮৫ মেগাওয়াট। বাংলাদেশের নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ভাগাড়ের ওপর চাপ কমাতে এ ধরনের প্রযুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে।

একই দিন তুজলায় অবস্থিত ইস্তাম্বুল লেদার অর্গানাইজড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (আইডিওএসবি) পরিদর্শন করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সেখানে পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল, অভিন্ন অবকাঠামো এবং চামড়া উৎপাদনে কেন্দ্রীয় বর্জ্যপানি শোধন ব্যবস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেন তিনি।

পরে জেভাহির লেদার ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ট্রেড কোম্পানি লিমিটেডের কারখানা ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। সেখানে কাঁচা চামড়া থেকে প্রস্তুত চামড়া তৈরি, ট্যানিং ও ফিনিশিং প্রযুক্তি এবং জুতা ও অন্যান্য পণ্যে ব্যবহারের উপযোগী চামড়া উৎপাদনের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।

৫ নভেম্বর শিলেতে অবস্থিত এনারগ্রম থার্মাল ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটিও পরিদর্শন করেন তিনি। কেন্দ্রটিতে তাপীয় প্রক্রিয়ায় বিপজ্জনক শিল্পবর্জ্য শোধনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এর বার্ষিক শিল্পবর্জ্য শোধন সক্ষমতা ৩৩ হাজার টন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫ দশমিক ৬ মেগাওয়াট।

পরিদর্শনগুলোতে কারিগরি সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা উঠে আসে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো গেলে বাংলাদেশের চামড়াশিল্পে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলা, বর্জ্যপানি শোধন, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পণ্যের মূল্য সংযোজনের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জ্বালানি পুনরুদ্ধার প্রযুক্তি দেশের পরিবেশ সুরক্ষা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া · ১ জন

প্রতিক্রিয়া জানাতে বা খবর সংরক্ষণ করতে লগইন করুন · নতুন? অ্যাকাউন্ট খুলুন (বিনামূল্যে)

💬 মন্তব্য

✍️ মন্তব্য লিখুন… — মন্তব্য করতে বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন
আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট আছে? লগইন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য লেখকের নিজস্ব মত, AllTimeNews-এর নয়। অশালীন, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা বিজ্ঞাপনমূলক মন্তব্য মুছে ফেলা হবে। · গোপনীয়তা / Datenschutz