মূল অংশে যান
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ · ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ · ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, ১২ ঘণ্টা ইন্টারনেট বন্ধ; আটক ৭০০-এর বেশি

Saif প্রকাশ: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ · আপডেট: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ · ২ মিনিটে পড়ুন
বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, ১২ ঘণ্টা ইন্টারনেট বন্ধ; আটক ৭০০-এর বেশি

অনলাইন ডেস্ক

ভারতের ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভ ঘিরে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ১২ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ৭০০-এর বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার যন্তর মন্তর ও এর ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখতে এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও ও ভোডাফোন আইডিয়ার মতো টেলিকম অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে দিল্লি সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিক্ষোভে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এআইএসএ, এসএফআই ও এনএসইউআইসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনও এতে যোগ দেয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানানো হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভের জন্য আয়োজকদের কোনো অনুমতি ছিল না।

পিটিআইয়ের বরাতে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন।

এর আগে গত জুলাই মাসেও যন্তর মন্তর ও মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল। সে সময় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) আন্দোলনের মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলছিল।

প্রায় তিন মাসের ব্যবধানে একই এলাকায় ফের বিক্ষোভের মধ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।