ফিলিপসের সেঞ্চুরিতে ভারতকে ৮৭ রানে হারাল নিউজিল্যান্ড
স্পোর্টস ডেস্ক
গ্লেন ফিলিপসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারতের বিপক্ষে ৮৭ রানের বড় জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৫৯ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। জবাবে জেকব ডাফির দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় ভারত।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। পাওয়ারপ্লেতে ৬৭ রান তুলতে দুই উইকেট হারায় দলটি। ১১তম ওভারে স্কোর দাঁড়ায় ১১২ রানে চার উইকেট। সেখান থেকে গ্লেন ফিলিপস ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। পঞ্চম উইকেটে মাত্র ৪০ বলে ১১৫ রানের জুটি গড়েন তাঁরা।
ফিলিপস ৪৯ বলে ১০টি ছক্কা ও অন্যান্য বাউন্ডারির সাহায্যে ১০৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। মাত্র ৪৬ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। অন্যদিকে, ব্রেসওয়েল মাত্র ২৫ বলে ৬৫ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৯ বলে করা অর্ধশতক।
ইনিংসের শেষ দিকে ভারতীয় বোলারদের ওপর আরও চড়াও হন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। ১৬ ও ১৭তম ওভারে নিতীশ কুমার রেড্ডি ও মায়াঙ্ক যাদবের বলে মাত্র ৯ বলে সাতটি ছক্কা হাঁকান ফিলিপস ও ব্রেসওয়েল। পুরো ইনিংসে ২০টি ছক্কা মেরে টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের নতুন দলীয় রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ড। শেষ ১০ ওভারে দলটি সংগ্রহ করে ১৫০ রান। ভারতের হয়ে নিতীশ কুমার রেড্ডি চার ওভারে ৬৪ রান দেন।
২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। জেকব ডাফির করা প্রথম ওভারেই কোনো রান না করে সাজঘরে ফেরেন সঞ্জু স্যামসন ও ঈশান কিষাণ। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই অভিষেক শর্মা ২৭ এবং শ্রেয়াস আইয়ার আউট হলে ৫৬ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
মাঝের ওভারগুলোতে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার আরও দুই উইকেট তুলে নিয়ে ভারতের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা কমিয়ে দেন। শেষ দিকে তিলক বর্মার ৩৫ এবং নামান ধিরের ১৩ বলে ২৮ রানের ইনিংস পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমায়। তবে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারের আগেই ১৭২ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন জেকব ডাফি। তিনি ১৮ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন।
এই পরাজয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রানের ব্যবধানে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম হার। একই সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ভারতের টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার ধারারও অবসান ঘটল।







