মূল অংশে যান
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ · ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ · ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
ব্রেকিং
আইন-শৃঙ্খলা

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ৯

অলটাইম নিউজ ডেস্ক প্রকাশ: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ · আপডেট: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:১১ অপরাহ্ণ · ২ মিনিটে পড়ুন
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ৯

জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার এবং দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কমপক্ষে ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার করা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস ইউং এসব তথ্য জানিয়েছে।

তাদের মধ্যে সাত জনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলো— মো. কাশেম ফারুক, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, মো. সোহেল রানা ও মো. শফিকুল ইসলাম।

এছাড়া পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ আরও দুই জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রবিবার (২১ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতোমধ্যে ৩১ জনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের কাছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টাকারীদের মধ্যে তিন জনকে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়।

গ্রেফতার কাশেম ফারুক বগুড়ার আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র এবং ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। মো. সাইদুর রহমান ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা।

শেরপুর জেলার বাসিন্দা রাকিব হোসেন প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত হয়েছে। তার আইডি থেকে ধ্বংসস্তূপের ছবি তুলে পোস্ট করা হয়। সে ফেসবুকে তার আইডি থেকে উসকানিমূলক পোস্টও করে।

ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. নাইমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় এ ঘটনায় লুট হওয়া ৫০ হাজার টাকাসহ গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাইম স্বীকার করেছে, সে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা লুট করেছে। লুট করা টাকা দিয়ে মোহাম্মদপুর থেকে একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ কিনে, যা ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে।

ঢাকার কাওরান বাজার রেললাইন এলাকা থেকে গ্রেফতার মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকসহ অন্যান্য আইনে ঢাকার বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। একই এলাকা থেকে গ্রেফতার মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুটি মামলা আছে।

গ্রেফতার অন্যদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।