মূল অংশে যান
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ · ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ · ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

‘কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানে পারমাণবিক হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প’

দাবি মার্কিন রাজনৈতিক ভাষ্যকার টাকার কার্লসনের

অলটাইম নিউজ ডেস্ক প্রকাশ: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ · আপডেট: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ · ২ মিনিটে পড়ুন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইরানে পারমাণবিক হামলার বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন—এমন দাবি করেছেন মার্কিন রাজনৈতিক ভাষ্যকার টাকার কার্লসন। তার দাবি, ইরানের একটি সন্দেহভাজন পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার অনুমতি দিতে ট্রাম্পের ওপর চাপ দিচ্ছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

রোববার (১ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব দাবি করেন কার্লসন।

সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য হিসেবে মধ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামের একটি স্থানের কথা উল্লেখ করেন তিনি। কার্লসনের দাবি, ইসরাইলি গোয়েন্দাদের ধারণা, ওই এলাকায় ইরান আবারও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম শুরু করেছে।

কার্লসন বলেন, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গগুলো প্রায় ৩০০ ফুট পুরু কঠিন গ্রানাইটে সুরক্ষিত। ফলে প্রচলিত মার্কিন অস্ত্র দিয়ে সেখানে হামলা চালানো সম্ভব নয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক পদক্ষেপের একমাত্র বিকল্প হতে পারে পারমাণবিক হামলা।

কার্লসন তার পোস্টে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির বক্তব্য উদ্ধৃত করে দাবি করেন, ‘বিবি (নেতানিয়াহু) এ বিষয়ে প্রতিদিন ট্রাম্পকে ফোন করেন।’

নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন কার্লসন। তার দাবি, ইসরাইলের সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর নেসেটে ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন নেতানিয়াহুর। তা না হলে তিনি ক্ষমতা হারাতে পারেন এবং তদন্ত ও কারাদণ্ডের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবারও শুরু করতে যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর নেতানিয়াহু চাপ দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন কার্লসন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার।

এ ছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফও নেতানিয়াহুর অবস্থান অনুসরণ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে কার্লসনের এসব দাবির পক্ষে তার পোস্টে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট মার্কিন ও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে ইরানে পারমাণবিক হামলার প্রস্তুতি চলছে—এমন দাবিরও স্বাধীনভাবে সত্যতা নিশ্চিত হয়নি।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু