Connect with us

top1

অতীতের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ভোট চাইলেন তারেক রহমান

Published

on

অতীতে বিএনপির শাসনামলে অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকলে, সে জন্য দেশবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে অর্জনগুলোকে ভিত্তি করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন তিনি।

সোমবার বিটিভিতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান বলেন, অতীতে জনগণের সমর্থনে বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে। দেশ পরিচালনায় কোনো ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়ে থাকলে, তিনি দেশবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে সমর্থন ও ভোট প্রয়োজন। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের কাছে রাষ্ট্র ও সরকারকে দায়বদ্ধ রাখার কোনো বিকল্প নেই।

তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের সমর্থন পেলে আগামী দিনে সরকার হবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক। দুর্নীতি দমনে বিএনপি সরকার যতটা কঠোর হওয়া যায়, ইনশাআল্লাহ ততটাই কঠোর হবে। দেশে পুনরায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে—এটি বিএনপির অঙ্গীকার।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ। ফ্যাসিবাদ আমলে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির তথাকথিত নির্বাচনে জনগণকে পরিবারকে সময় দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান—১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন।

ভাষণে তিনি বলেন, তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের জন্য হোক। গণতন্ত্রকামী ভাই-বোনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের প্রার্থীদের দায়িত্ব নিন; ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাচিত এমপিরা জনগণের দায়িত্ব নেবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে কি না, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন বলেও জানান।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির মূল মন্ত্র হবে মহানবীর মহান আদর্শ—ন্যায়পরায়ণতা। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি ধানের শীষের বিজয় কামনা করে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের বাংলাদেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

সরকারি ছয় চাকরিতে বাড়ছে না ভাইভার নম্বর

Published

on

By

সরকারি চাকরির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির (১১-২০ গ্রেড) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন যেকোনো দিন জারি হতে পারে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের খসড়া সরকার ইতোমধ্যে প্রস্তুত করেছে। খসড়াটি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, ভাইভার নম্বর বাড়ানোর এ উদ্যোগ নিয়ে যখন বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা ও আন্দোলন চলছে, তখনই প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হওয়ার পর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, এই পরিবর্তনের পেছনে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য বা বৈষম্য তৈরির চিন্তা নেই; বরং দক্ষ ও যোগ্য প্রশাসনিক জনবল নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

এর আগে, গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে অনুমোদন দেওয়ার পর প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

খসড়া বিধিমালায় বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৫৭ নং আইন) এর ধারা ৫৯ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪০(২) অনুচ্ছেদের বিধান মোতাবেক বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই বিধিমালা প্রণয়ন করা হলো।

এতে উল্লেখ করা হয়, এই বিধিমালা মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও ইহাদের আওতাধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর এবং সংস্থাসমূহের ১১তম ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষার মান বণ্টন (বিশেষ বিধান) বিধিমালা, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

এতে বলা হয়, এই বিধিমালার কোনো কিছুই শৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, আনসার ব্যাটালিয়ন, কোস্ট গার্ড, র‌্যাব বা অন্য কোনো বাহিনী এবং সরকারি কর্ম কমিশনের আওতাভুক্ত কোনো পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

এদিকে খসড়া বিধিমালায় ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

বর্তমানে এসব পদে ভাইভায় ১০ নম্বর থাকলেও নতুন প্রস্তাবে গ্রেডভেদে তা ২৫, ৪০ ও ৫০ নম্বর করার কথা বলা হয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, ১১-১২তম গ্রেডে মোট ১৫০ নম্বরের পরীক্ষায় ৫০ নম্বর থাকবে মৌখিকের জন্য; যা বিদ্যমান নম্বরের চেয়ে ৪০০ শতাংশ বেশি। একই গ্রেডের লিখিত পরীক্ষায় ৯০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর করা হয়েছে। এই গ্রেডে বিদ্যমান লিখিত পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাস করতে হয়, প্রস্তাবিত খসড়ায় তা ৩৫ শতাংশ করা করা হয়েছে।

১৩ থেকে ১৬ গ্রেডের পদে বর্তমানে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যথাক্রমে ৯০ ও ১০ নম্বর রয়েছে।

নতুন প্রস্তাবে লিখিত পরীক্ষায় ৬০ এবং ভাইভায় ৪০ নম্বর রাখার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অপরদিকে ১৭ থেকে ২০ গ্রেডের পদে বর্তমানে লিখিত পরীক্ষায় ৪০ এবং ভাইভায় ১০ নম্বর রয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিমালায় লিখিত ও মৌখিক এ দুই পরীক্ষায় ২৫ নম্বর করে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা যায়, ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে চাকরির ক্ষেত্রে নম্বর বাড়ানোর বিষয়টি সচিব কমিটির সভায় চূড়ান্ত হয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর হবে না। এ জন্য প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে একটি মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, খসড়া প্রজ্ঞাপন প্রস্তুত করা হয়েছে। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সবুজ সংকেত পেলে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

এসময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হবে বলেও উল্লেখ করেন সেই কর্মকর্তা।

খসড়া বিধিমালায় চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। বিধিমালা কার্যকর হওয়ার সময় ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের কোনো কার্যক্রম বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী চলমান থাকলে তা আগের বিধিমালা অনুসারেই নিষ্পত্তি করতে হবে। অর্থাৎ নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার আগে শুরু হওয়া নিয়োগ কার্যক্রমে নতুন নম্বর কাঠামো প্রযোজ্য হবে না।

খসড়ায় উল্লেখ করা হয়, নতুন বিধিমালা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারবে।

Continue Reading

top1

‘কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় টেরও পাবেন না’: ববিতে নাহিদ ইসলাম

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

‘কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় নিজেরাও টের পাবেন না’ বলে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে আয়োজিত ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারুণ্যের রাজনৈতিক ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ববির কীর্তনখোলা হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেষ পর্যন্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সমান্তরালে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছিল। সেজন্য আমরা সবাই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ট্রেন্ড চলছে—সবাই আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে। এই সরকারও মনে হয় আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে, যখন গ্যাস-বিদ্যুৎ ছিল না। তবে আমরা চাই, পুরো পৃথিবী যখন এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ যেন কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান ও সরকারি নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সরকারের বিশেষ নীতি থাকবে—এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে দলীয় লোকদের চাকরি দেওয়ার জন্য জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়েছিল। পুরোনো পথে না হেঁটে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মানের দিক থেকে প্রকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলুন।”

চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “দুই দিন ধরে আমরা দেখছি, ন্যক্কারজনকভাবে চাকরির ভাইভায় নম্বর কয়েক গুণ বৃদ্ধি করার প্রস্তাব এসেছে। অথচ সরকারে আসার আগে তারা বিসিএসের ভাইভায় নম্বর কমানোর কথা বলেছিলেন। এখন তারা ক্ষমতায় এসে উল্টো পথে হাঁটছেন।”

সরকারকে হুঁশিয়ার করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় নিজেরাও টের পাবেন না।” এ সময় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া হঠাৎ করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বায়ক সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল। অনুষ্ঠান শেষে ‘জুলাই ৩৬’ কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

Continue Reading

top1

হরমুজে ২ মার্কিন নৌযান ও ৮ তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দাবি ইরানের

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

হরমুজ প্রণালীতে দুটি মার্কিন নৌযান ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, মার্কিন বাহিনীর পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিবৃতিতে মার্কিন বাহিনীকে ‘আমেরিকান সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে উল্লেখ করে আইআরজিসি। একই সঙ্গে মার্কিন সহায়তায় হরমুজ প্রণালীর ‘নিষিদ্ধ ও বিপজ্জনক অঞ্চল’ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা আরও ১০টি নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করা হয়েছে।

আইআরজিসি আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালী এখনো তাদের ‘শক্তিশালী ও কর্তৃত্বপূর্ণ নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের’ আওতায় রয়েছে।

তবে হামলার এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র: আল জাজিরা

Continue Reading

Trending