Connect with us

What is a press release?

Is a press release an effective advertisement and promotion or a pit trap?

The press release is being written on a significant occasion. And this reason should be important for the addressees. In principle, you can create news even from a small event. I think many people will be amused and even published a message that today, for the first time in many months, all employees of the company came to work on time. And if you already have a large and well-known company, then this correctly presented news will work to your advantage. The keywords in this case are correctly submitted.

It is a great art to write not only a competent press release, but also one that covers the event correctly for you. And, as you know, big things are seen from a distance. Therefore, it is more convenient for an outside specialist to isolate the main thing and serve the essence with the right sauce. A professional writer (if you want, a writer) of press releases will not delve into the minor nuances of the event, but will emphasize the benefits to you. He will create the text quickly and in the form that you order. And, importantly, in accordance with the rules of writing informational messages.

In short, the press release consists of several parts.

The title should be short and contain a concise announcement of the information. Everyone reads the headlines on the news feeds. And if something interests them, they already go to the text. Therefore, it is better if the title of your press release is also intriguing – it will catch on faster.

Important: the title must contain the date of the event.

The first paragraph of the message should contain complete but concise information. That is, the answers to 3 questions: who, where, and when. This is the next frontier of the struggle for the reader’s attention. If the reader is from your target audience, then after reading the first paragraph of the press release, they will continue to read, return to your news later, and even tell it to others. If a person accidentally accessed the message, then because of the brevity of the information, he:

a) will not be upset that a lot of his time has been taken away;

b) nevertheless, he will remember the news and, on occasion, he will convey it to your potential client, partner;

c) he will note for himself that this company reports its news intelligibly and clearly.

And that means your press release has worked for you again!

In the main text of the release, you can tell in detail about the event, give the opinions of significant people (necessarily indicating their positions, regalia), and give a brief information about your company.

The signature under the press release should be detailed: full name, title of the position without abbreviations, indication of the contact phone number and e-mail.

As a rule, a press release is issued on the official letterhead of the company. Its volume should not exceed one A4 sheet. The message should not contain overtly promotional information – it irritates the reader like any spam. Many players search for a bookmaker that offers generous conditions especially for newcomers. Simple registration with the correct code opens access to an increased welcome package. This is a great opportunity to double or even triple your starting capital. Upon activation you will receive promo code 1xbet 100% bonus up to $100, increased up to $130. The extra funds allow you to place more accumulators and singles. The platform also provides convenient tools for event analysis, which raises the chances of successful predictions.

অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে প্রতিনিধিদল পাঠাবে না ইরান

ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের শান্তি আলোচনায় অংশ না নেওয়ার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন শান্তি আলোচনায় কোনো প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে না দেশটি। রোববার (১৯ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান তার পূর্বের অবস্থানে সম্পূর্ণ অনড়। তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলোতে যতক্ষণ পর্যন্ত মার্কিন নৌ-অবরোধ কার্যকর থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো ধরনের আলোচনা বা কূটনৈতিক তৎপরতায় বসবে না ইরান।

এদিকে, কূটনীতির মাঠে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন আগামীকাল সোমবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই বৈঠককে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের ‘শেষ সুযোগ’ হিসেবে প্রচার করলেও, তেহরানের এই অনড় সিদ্ধান্তে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একতরফা অবরোধ অব্যাহত রেখে আলোচনার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা প্রায় অসম্ভব, যা ইরানের এই সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়েছে।

গত কয়েক দিনে ট্রাম্প প্রশাসন কেবল অবরোধই আরোপ করেনি, বরং আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি জাহাজ জব্দ এবং দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এই হুমকির পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও তাদের সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। ইরানের সামরিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের সেনারা এখন ‘আঙুল ট্রিগারে’ রেখেই যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

শান্তি আলোচনার আগে দুই পক্ষের এই বৈরী আচরণ ও সামরিক হুঙ্কার মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা

Click to comment

দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই হিসাবে বাস-ট্রাকের জ্বালানি ‘ডিজেল’ মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাড়া সমন্বয় করতে সরকারকে অনুরোধ করেছেন বাস-ট্রাক মালিক সমিতির নেতারা।

রবিবারের (১৯ এপ্রিল) মধ্যে সমিতির পক্ষ থেকে দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আশা করছিলাম যে সরকার তেলের দাম যদি বৃদ্ধি করে, তবে সেই সঙ্গে গেজেটে উল্লেখ করে দেবে যে তেলের কারণে এত পয়সা করে প্রতি কিলোমিটার ইনক্লুড হবে।

কিন্তু সেটি হয়নি। আজ মালিকরা বেশি দামে তেল কিনছেন, কিন্তু ভাড়া নিচ্ছেন আগের রেটে। এভাবে তো মালিকরা লস দিয়ে বাস চালাবেন না। আমরা অলরেডি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি যে, আজকের মধ্যে এটা নিরসন করে দিতে।

এই বাস মালিক আরো বলেন, ‘গাড়ির মূল্যের ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০২২ সালে একটি বাসের চেসিসের দাম ছিল প্রায় ২৪ লাখ টাকা এবং বডি তৈরি করতে খরচ হতো প্রায় ১১ লাখ টাকা। বর্তমানে সেই একই চেসিসের দাম বেড়ে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা এবং বডি তৈরির খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকায়। অর্থাৎ শুধু এই দুই খাতেই মোট খরচ বেড়েছে প্রায় ২০-২১ লাখ টাকা।

এর সঙ্গে ব্যাংক ঋণের সুদের হারও ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে, ফলে কিস্তির চাপ আরো বেড়েছে মালিকদের ওপর।’

তিনি বলেন, ২০২২ সালে জ্বালানির দাম বাড়ার পর সরকার ভাড়া সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছিল। তখন প্রথমে প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ২০ পয়সা নির্ধারণ করা হলেও পরে তা সমন্বয় করে ২ টাকা ১২ পয়সায় স্থির করা হয়। সেই সময় মালিক সমিতির পক্ষ থেকে ২ টাকা ৮০ পয়সা প্রস্তাব করা হলেও তা গৃহীত হয়নি। এরপর দীর্ঘ সময় ভাড়ার আর কোনো সমন্বয় হয়নি, যদিও খরচ ধারাবাহিকভাবে বেড়েই গেছে।

এবার অন্তত কিলোমিটারপ্রতি সাড়ে ৩ টাকা না হলে আর গাড়ি চালানো যাবে না।

Click to comment

যেকোনো মুহূর্তে ফের যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আবারও তুঙ্গে উঠেছে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটনকে তেহরান বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যেই এমন কঠোর মন্তব্য সামনে এলো।

ইরানের এই সতর্কবার্তার পরপরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ পেয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও সামরিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাব্য সমাপ্তি এবং আকস্মিক হামলার আশঙ্কায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে ‘হাই অ্যালার্ট’ বা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত ও কৌশলগত অবস্থানগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এমন যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতির মধ্যেই অভ্যন্তরীণ চাপে পড়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার সরকারের পদত্যাগ এবং অবিলম্বে তদন্তের দাবিতে শনিবার রাতে তেল আবিবে কয়েক হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নেতানিয়াহু নিজের স্বার্থ রক্ষায় দেশকে এক অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। রাফায়েল পিনাইনা নামে এক বিক্ষোভকারী মন্তব্য করেন যে, প্রধানমন্ত্রী ভেতর থেকে ইসরায়েলি সমাজকে ধ্বংস করছেন এবং পশ্চিমা বিশ্বের সাথে দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করছেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিক ও সমাজকর্মীরা গত ৭ অক্টোবর এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তারা মনে করেন, জনগণের সত্য জানার অধিকার আছে। লি হফম্যান-আজিভ নামে এক সমাজকর্মী জানান, তিনি সেইসব শোকাতুর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন, যারা প্রধানমন্ত্রীর শুরু করা এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে প্রিয়জন হারিয়েছেন।

বিক্ষোভকারীদের অনেকেই মনে করেন, লেবানন ও ইরানে যুদ্ধ শুরু করা ইসরায়েলের একটি বড় কৌশলগত ভুল ছিল। হাইম ট্রিভ্যাক্স নামে এক প্রতিবাদকারী সরাসরি অভিযোগ করেন যে, নেতানিয়াহু দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা না করে কেবল সম্ভাব্য কারাদণ্ড থেকে নিজেকে বাঁচাতেই যুদ্ধের এই পথ বেছে নিয়েছেন

Click to comment

জয়-পলকের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন বিটিসিএল কর্মকর্তা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হত্যাযজ্ঞ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই মামলার পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেবেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) একজন কর্মকর্তা।

প্রসিকিউশন সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে এই কর্মকর্তার নাম গোপন রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, আজকের কার্যক্রমের শুরুতেই রাষ্ট্রপক্ষের চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) একজন কর্মকর্তাকে জেরা করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। জেরা সম্পন্ন হওয়ার পরপরই বিটিসিএল কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

এই মামলায় অভিযুক্ত দুই আসামির মধ্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলেও সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক রয়েছেন। পলাতক থাকায় জয়ের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র থেকে আইনজীবী মনজুর আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশে জুনাইদ আহমেদ পলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা নৃশংস হামলা চালায়।

এছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে মারণাস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে হত্যাযজ্ঞ চালানোর প্ররোচনা ও সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এই হামলার ধারাবাহিকতায় রাসেল ও মোসলেহ উদ্দিনসহ অন্তত ২৮ জন নিহতের ঘটনা প্রথম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া উত্তরা এলাকায় ৩৪ জনকে হত্যার পেছনেও তাদের সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আজ পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দির মধ্য দিয়ে এই আলোচিত মামলার বিচারিক কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।

Click to comment

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে

আজ শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা, ডিজেল ১১৫ টাকা ও কেরোসিন ১৩০ টাকা হয়েছে।

এর আগে অকটেনের দাম ১২০ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা, ডিজেল ১০০ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা ছিল।

নতুন দাম অনুযায়ী, অকটেন বেড়েছে ২০ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা, ডিজেল ১৫ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বেড়েছে।

আগামীকাল রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণাল

Click to comment

তুরস্কে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

তুরস্কে আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের সাইডলাইনে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনতালিয়ায় কূটনীতিকদের বৈশ্বিক সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি সরকার গঠনের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুর রহমানের এটি প্রথম বৈঠক।

বৈঠক প্রসঙ্গে স্যোশাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে ইসহাক দার উল্লেখ করেন, সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে আমি আনন্দিত।

আমরা পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি এবং আলোচনা সহজতর করার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ভূমিকাসহ আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি আমাদের অব্যাহত ইতিবাচক এবং দূরদর্শী সম্পর্কের অপেক্ষায় রয়েছি।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধের উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তুরস্কে শুক্রবার শুরু হওয়া আন্টালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে ড. খলিলুর রহমান বলেন, আমি পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারকে গভীরভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই, অত্যন্ত অশান্ত একটি অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অসাধারণ ও ঐতিহাসিক প্রচেষ্টার জন্য।

ফোরামে ইসহাক দার ও খলিলুর রহমান এবং আফগানিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী নূরউদ্দিন আজিজি দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক একটি প্যানেলের অংশ ছিলেন, যেখানে তারা দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সংহতির চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।

খলিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা সুড়ঙ্গের শেষে আলো দেখতে পাচ্ছি। সর্বশেষ হরমুজের মধ্য দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার ইরানের সিদ্ধান্ত সবার জন্য সুখবর।

চলমান প্রচেষ্টার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব থেকে নিজেকে একা কোনও দেশ রক্ষা করতে সক্ষম হবে না।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই প্রচেষ্টার প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমাদের একসঙ্গে নিজেদের নিরোধক করতে হবে।

ইরান যুদ্ধের পর থেকে বিশ্বে অর্থনৈতিক চাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। এর প্রভাব হবে মারাত্মক। এটি ইতোমধ্যে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। আমাদের জ্বালানি ভর্তুকি দেওয়ার ক্ষমতা এবং উন্নয়ন বাজেট থেকে কেড়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দেশের ধাক্কা শোষণ করার ক্ষমতা নেই; যার অর্থ আমাদের প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সম্মেলনে অংশ নিতে তিন দিনের সফরে তুরস্কে গেছেন ড. খলিলুর রহমান। সম্মেলনে শেষে রোববার (১৯ এপ্রিল) তিনি বেলজিয়ামের ব্রাসেলস যাবেন। এরপর তার ইথিওপিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা আছে। তার সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

Click to comment

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পাঠানো হলো বিশ্বের বৃহত্তম রণতরি ‘জেরাল্ড ফোর্ড’

বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড আবারও মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। দুইজন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

সংবেদনশীল অভিযান নিয়ে কথা বলার অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, রণতরীটি ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস মাহান এবং ইউএসএস উইনস্টন চার্চিলের সঙ্গে সুয়েজ খাল অতিক্রম করে বর্তমানে লোহিত সাগর অঞ্চলে অবস্থান করছে।

এর আগে রণতরীটি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন ছিল। তবে এর একটি লন্ড্রি কক্ষে আগুন লাগার পর মেরামতের জন্য সাময়িকভাবে বন্দরে ফিরে যেতে হয়।

এই রণতরীর আগমনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌ উপস্থিতি আরও জোরদার হলো। বর্তমানে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইতোমধ্যেই আরব সাগর অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে।

একই সঙ্গে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ বুশ এই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলের কাছে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।

কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, জেরাল্ড ফোর্ড সম্প্রতি ভিয়েতনাম যুদ্ধ-এর পর দীর্ঘতম সময় ধরে মোতায়েন থাকা বিমানবাহী রণতরীর রেকর্ড গড়েছে।

এর আগে ২০২৬ সালের ২৮ মার্চ রণতরীটি ক্রোয়েশিয়ার স্প্লিট বন্দরে নোঙর করেছিল।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

Click to comment

চুক্তি না হলে আমাদের আবার বোমা ফেলতে হবে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও বোমা হামলা শুরু করতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে তিনি যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে নিশ্চিত নন।

ট্রাম্প বলেন, ‘হয়তো আমি যুদ্ধবিরতি বাড়াব না, তবে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় থাকবে। তখন পরিস্থিতি এমন হবে যে, দুঃখজনকভাবে আমাদের আবার বোমা ফেলতে হবে।’

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে, যার লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করা এবং একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো। তবে সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশাসন এখনও আশাবাদী।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Click to comment

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননে বিস্ফোরণ, ঘরবাড়ি ধ্বংসের অভিযোগ

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, সীমান্তবর্তী যেসব শহর এখনো ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেখানে তারা ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে। সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যেই বলেছেন, তারা লেবাননের শহরগুলো ধ্বংস করতে দিতে চান, যাতে বাসিন্দারা আর সেখানে ফিরে যেতে না পারেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আল–জাজিরা

Click to comment

সংকট উত্তরণে জামায়াতের ৯ প্রস্তাব

দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত দলটির জেলা আমির সম্মেলন থেকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৯টি প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

সম্মেলনে সারাদেশের সাংগঠনিক জেলা ও মহানগর আমিররা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

এরমধ্যে অবিলম্বে গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে একটি সুস্পষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়। যাতে প্রতিটি ধাপের অগ্রগতি জনগণের কাছে দৃশ্যমান হয়। প্রস্তাবে বলা হয়, ‘হ্যাঁ’ ভোটে বিজয়ী ‘গণভোট’ একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মৌলিক রূপরেখা। কিন্তু গণভোটের রায় বাস্তবায়নে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় জনগণের মধ্যে হতাশা ও সরকারের প্রতি অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে, যা রাষ্ট্রের জন্য অশুভ সংকেত।

জ্বালানি সংকট নিরসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ
বর্তমান জ্বালানি সংকট দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, শিল্প খাতের উৎপাদন, কৃষি কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিদ্যুৎ ঘাটতি, গ্যাস সংকট এবং জ্বালানির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে এবং উৎপাদনশীল খাতকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জামায়াত জেলা আমির সম্মেল থেকে প্রস্তাব করেছে জ্বালানি খাতে বিদ্যমান দুর্নীতি, অনিয়ম ও অদক্ষতা চিহ্নিত করে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমদানিনির্ভরতা হ্রাস করে দেশীয় গ্যাস, কয়লা ও নবায়নযোগ্য শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলা করা যায়। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং অপচয় ও চুরি রোধে প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতার জন্য দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে। জ্বালানি সমস্যার কারণে কৃষকেরা মারাত্মকভাবে সার সংকটে নিপতিত হয়েছেন। এ সংকট কাটিয়ে উঠতে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক কাঠামোতে দলীয়করণ বন্ধ করা

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহে দলীয়করণ, পক্ষপাতিত্ব ও প্রভাব বিস্তার সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে অন্যতম প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নষ্ট হচ্ছে এবং জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে সম্মেলন থেকে প্রস্তাব করা হয়, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে দলীয় প্রভাবমুক্ত রেখে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে। সকল নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক ‘পাবলিক সার্ভিস কমিশন’ এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনগণের জীবনযাত্রার মান রক্ষা করা

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। বাজার সিন্ডিকেট, মজুদদারি ও তদারকির দুর্বলতার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।

এ অবস্থায় জামায়াত প্রস্তাব করছে বাজার সিন্ডিকেট, কারসাজি ও মজুদদারির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং, ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত তদারকি জোরদার করতে হবে। ভর্তুকি, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ও টার্গেটেড সহায়তার মাধ্যমে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীকে কার্যকর সহায়তা প্রদান করতে হবে। কৃষক ও উৎপাদকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করে উৎপাদন ও সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে হবে, যাতে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। হামের ভয়াবহ আক্রমণে জনস্বাস্থ্য আজ মারাত্মকভাবে হুমকির সম্মুখীন। এ থেকে উত্তররণের জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূল

দেশব্যাপী চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিস্তার জননিরাপত্তা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত হবে। এ প্রেক্ষিতে সম্মেলন থেকে প্রস্তাব করা হয়- অপরাধীদের দলীয় পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে তাদের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। বিচার ব্যবস্থাকে নিরপেক্ষ, দ্রুত, কার্যকর ও সময়োপযোগী করে অপরাধ দমনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা জোরদার করতে হবে। সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিকদের অন্যায়ভাবে হত্যা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উন্মুক্ত করে দেয়া

চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থাণের প্রেক্ষাপট, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের চরিত্র উন্মোচন এবং জাতির আত্মত্যাগের ইতিহাসকে তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে অতি দ্রুত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে। এজন্য জুলাই জাদুঘরে প্রবেশমূল্য না রাখা। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্যাম্পেইন করা। জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে গবেষণার জন্য দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন

রাষ্ট্রের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনের বিকল্প নেই। তাই স্থানীয় পর্যায়ের সকল স্তরে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সরকার দলীয় নেতাদের অপসারণ করতে হবে।

ব্যাংক ও আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা

দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারকে ভূমিকা রাখতে হবে। আর্থিক খাত ভেঙে পড়লে রাষ্ট্র তার স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না, জনগণ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এজন্য ব্যাংক ও আর্থিক খাতকে দলীয়করণ করা যাবে না। ব্যাংক ও আর্থিক খাতের অর্থ লোপাটকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। দখলবাজি বন্ধ করতে হবে। গ্রাহকদের আমানত রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা সরকারকে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণে কূটনৈতিক তৎপরতা এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও মুসলিম বিশ্বের করণীয়

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত, যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয় মুসলিম বিশ্বকে এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড় করিয়েছে। নিরীহ মানুষের প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা আন্তর্জাতিক বিবেককে নাড়া দিচ্ছে এবং বিশ্বশান্তির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে সম্মেলন মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান- মুসলিম দেশসমূহ পারস্পরিক বিভেদ ও দ্বন্দ্ব পরিহার করে কার্যকর ঐক্য ও সহযোগিতা গড়ে তুলবে। সংঘাত নিরসনে সক্রিয়, দায়িত্বশীল ও ফলপ্রসূ কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ সুগম করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা, পুনর্বাসন এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিতভাবে জোরদার করতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

Click to comment