Connect with us

What is a press release?

Is a press release an effective advertisement and promotion or a pit trap?

The press release is being written on a significant occasion. And this reason should be important for the addressees. In principle, you can create news even from a small event. I think many people will be amused and even published a message that today, for the first time in many months, all employees of the company came to work on time. And if you already have a large and well-known company, then this correctly presented news will work to your advantage. The keywords in this case are correctly submitted.

It is a great art to write not only a competent press release, but also one that covers the event correctly for you. And, as you know, big things are seen from a distance. Therefore, it is more convenient for an outside specialist to isolate the main thing and serve the essence with the right sauce. A professional writer (if you want, a writer) of press releases will not delve into the minor nuances of the event, but will emphasize the benefits to you. He will create the text quickly and in the form that you order. And, importantly, in accordance with the rules of writing informational messages.

In short, the press release consists of several parts.

The title should be short and contain a concise announcement of the information. Everyone reads the headlines on the news feeds. And if something interests them, they already go to the text. Therefore, it is better if the title of your press release is also intriguing – it will catch on faster.

Important: the title must contain the date of the event.

The first paragraph of the message should contain complete but concise information. That is, the answers to 3 questions: who, where, and when. This is the next frontier of the struggle for the reader’s attention. If the reader is from your target audience, then after reading the first paragraph of the press release, they will continue to read, return to your news later, and even tell it to others. If a person accidentally accessed the message, then because of the brevity of the information, he:

a) will not be upset that a lot of his time has been taken away;

b) nevertheless, he will remember the news and, on occasion, he will convey it to your potential client, partner;

c) he will note for himself that this company reports its news intelligibly and clearly.

And that means your press release has worked for you again!

In the main text of the release, you can tell in detail about the event, give the opinions of significant people (necessarily indicating their positions, regalia), and give a brief information about your company.

The signature under the press release should be detailed: full name, title of the position without abbreviations, indication of the contact phone number and e-mail.

As a rule, a press release is issued on the official letterhead of the company. Its volume should not exceed one A4 sheet. The message should not contain overtly promotional information – it irritates the reader like any spam. Many players search for a bookmaker that offers generous conditions especially for newcomers. Simple registration with the correct code opens access to an increased welcome package. This is a great opportunity to double or even triple your starting capital. Upon activation you will receive promo code 1xbet 100% bonus up to $100, increased up to $130. The extra funds allow you to place more accumulators and singles. The platform also provides convenient tools for event analysis, which raises the chances of successful predictions.

ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রস্তুতি নিয়ে জোর আলোচনা

অলটাইম ডিজিটাল ডেস্ক

ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চলতি সপ্তাহান্তেই বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন না দিলেও আন্তর্জাতিক অর্থবাজার সোমবার খোলার আগেই সম্ভাব্য অভিযান শেষ করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

ক্যাম্প ডেভিডে আয়োজিত এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন আঘাত হানবে যাতে একপর্যায়ে ইরান তা সহ্য করতে না পারার কথা জানাবে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য স্পষ্ট এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে পেন্টাগনের মুখপাত্র শিন পারনেল জানান, মার্কিন বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাম্প ডেভিড বৈঠক থেকেই সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে অনুমোদন এসেছে। তবে কূটনৈতিক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারেন।

অন্যদিকে, সিবিএস নিউজকে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর বিষয়ে তারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত নন।

এদিকে সম্ভাব্য হামলার খবর প্রকাশের পর ইরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। দেশটির তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালালে তার জবাবে বিস্তারিত সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত রয়েছে।

ইরানের ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, হামলা হলে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোও পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Click to comment

মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহতদের ভাতা বাড়ালো সরকার

ডিজিটাল ডেস্ক

বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা ও বিভিন্ন আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বর্ধিত এ সুবিধা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ভাতা ও অনুদান বৃদ্ধির বিষয়টি জানানো হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতার পাশাপাশি উৎসব ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, মহান বিজয় দিবসের বিশেষ অনুদান এবং বাংলা নববর্ষ ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আলোকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের ভাষ্য, মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা, তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা এখন থেকে মাসিক ৩০ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা পাবেন। এছাড়া তাদের জন্য ১০ হাজার টাকা উৎসব ভাতা, ৫ হাজার টাকা মহান বিজয় দিবস ভাতা এবং ২ হাজার টাকা বাংলা নববর্ষ ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। তাদের জন্যও ১০ হাজার টাকা উৎসব ভাতা, ৫ হাজার টাকা বিজয় দিবস ভাতা এবং ২ হাজার টাকা বাংলা নববর্ষ ভাতা দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা ২৩ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা, ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতা, ২৩ হাজার টাকা উৎসব ভাতা এবং ২ হাজার টাকা বাংলা নববর্ষ ভাতা প্রদান করা হবে।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অক্ষমতার মাত্রা অনুযায়ী চারটি শ্রেণিতে নতুন ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘ক’ শ্রেণির (৯৬-১০০ শতাংশ অক্ষম) মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ৩০ হাজার টাকা, ‘খ’ শ্রেণির (৬১-৯৫ শতাংশ) ২৮ হাজার টাকা, ‘গ’ শ্রেণির (২০-৬০ শতাংশ) ২৩ হাজার টাকা এবং ‘ঘ’ শ্রেণির (১-১৯ শতাংশ) যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা পাবেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মু. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সর্বশেষ ভাতা বৃদ্ধি সেই উদ্যোগেরই অংশ, যা তাদের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Click to comment

হঠাৎ স্পেন সীমান্তে অবিভাসীদের এত ভিড় কেন

মরক্কো থেকে উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের ছিটমহল সেউতায় প্রবেশের চেষ্টাকালে অন্তত ৫৭ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ সমুদ্র ও স্থলপথে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা চালান। তবে স্পেন সরকারের দাবি, শুক্রবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যার মধ্যে বেশির ভাগ মানুষই মরক্কোয় ফিরে গেছেন।

এ অনুপ্রবেশ সামলাতে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জরুরি ভিত্তিতে সেউতা সফর করেন। এই সংকটের জেরে ইতালি স্পেন থেকে যাওয়া যাত্রীদের ওপর সাময়িক সীমান্ত কড়াকড়ি আরোপ করেছে। অন্যদিকে ফ্রান্স স্পেন সীমান্তে অতিরিক্ত নজরদারি জোরদার করেছে।

সেউতা কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার সীমান্তরক্ষীদের নিরাপত্তা বলয় ছিন্ন করে দলে দলে মানুষ সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করে। এ সময় সমুদ্রে ডুবে অনেকের মৃত্যু হয়।

স্পেনে সীপান্ত নিরাপত্তা জোরদার

সম্প্রতি স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে জানায়, সমুদ্রপথে আসা অনিয়মিত অভিবাসীদের সরাসরি মরক্কোতে ফেরত পাঠানো যাবে না। তবে এই রায়ের পরও বেআইনিভাবে প্রবেশকারীদের দ্রুততম সময়ে ফেরত পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে স্পেন প্রশাসন।

কী ঘটেছে এবং কোথায়

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মরক্কো ও স্পেনের ক্ষুদ্র ভূখণ্ড সেউতার সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে। চরম বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে আনুমানিক ৫০ হাজার মানুষ স্পেনীয় অংশে ঢুকে পড়েন। এতে বেশ কয়েকজন মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

এই অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা ছিল সেউতার মূল জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের থেকেও বেশি। ফলে পুরো ছিটমহলে এক ভয়াবহ মানবিক সংকট দেখা দেয়।

শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে মরক্কোর দিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রতি মুহূর্তে আরও শত শত মানুষকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

উত্তর আফ্রিকার ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত সেউতা এবং তার থেকে ২৫০ মাইল পূর্বে অবস্থিত মেলিলা অঞ্চল। এই দুটি স্থানই আফ্রিকা মহাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একমাত্র স্থলসীমান্ত।

১৫৮০ সাল থেকে সেউতা স্পেনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখানে খ্রিস্টান ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর সহাবস্থান দেখা যায়। তবে মরক্কো কখনোই সেউতা ও মেলিলাকে স্পেনের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। তারা এগুলোকে নিজেদের ‘দখলকৃত ভূখণ্ড’ হিসেবে গণ্য করে।

অভিবাসনের কেন্দ্রবিন্দু কেন সেউতা

উন্নত জীবনযাত্রা ও নিজ দেশের সহিংসতা থেকে বাঁচতে ইউরোপে প্রবেশের জন্য স্পেন অন্যতম প্রধান রুট। আফ্রিকা থেকে ইউরোপে পৌঁছাতে অভিবাসীরা সেউতা ও মেলিলাকে বেছে নেয়। তাই এই দুটি অঞ্চলকে শক্ত নিরাপত্তাবেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।

সেউতা বা মেলিলায় পৌঁছানো অনেক অভিবাসীকে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ফেরত পাঠায়। বাকিদের আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রক্রিয়া চালানো হয়।

সেউতায় পৌঁছাতে অভিবাসীরা সাধারণত মরক্কোর ফনিদেক শহর থেকে প্রায় ৩ মাইল পথ সাঁতরে পাড়ি দেয়। আবার অনেকে কাছের শহর বেলিউনেচ থেকেও প্রবেশের চেষ্টা চালায়।

এর আগে ২০২২ সালে উপ-সাহারা অঞ্চল থেকে আসা প্রায় ২ হাজার মানুষ মেলিলায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তখন ২৩ জন নিহত হয়েছিলেন। এছাড়া ২০১৪ সালে সেউতা উপকূলে প্রাণ হারান অন্তত ১৪ জন।

তবে ক্যানারি ও ব্যালিয়ারিক দ্বীপপুঞ্জ হয়ে স্পেনে প্রবেশকারীদের তুলনায় সেউতা ও মেলিলা সীমান্ত দিয়ে আগতদের সংখ্যা সাধারণত কম থাকে।

গত কয়েক দশকে স্পেনে বহিরাগত জনসংখ্যার হার অনেক বেড়েছে। দেশটির ৫ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ১ কোটি মানুষই বিদেশি বংশোদ্ভূত। এদের বড় একটি অংশ কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা ও মরক্কো থেকে এসে স্পেনের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।

নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে হাজার হাজার মানুষ প্রতি বছর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আশ্রয় খুঁজছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মতে, ২০১৪ সাল থেকে ভূমধ্যসাগরে ৩৫ হাজার ১৫৩ জন অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। কেবল ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসেই এই সংখ্যা ১ হাজার ৪৯৩ জন।

এত মানুষ সীমান্ত পার হতে সক্ষম হলো যেভাবে

হঠাৎ এত মানুষ কীভাবে একসঙ্গে প্রবেশ করলো, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। মরক্কো কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তারা কতটা কঠোর ছিল, তাও জানা যায়নি।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার নেপথ্যে আঞ্চলিক রাজনীতি জড়িত থাকতে পারে। মরক্কো ও আলজেরিয়ার দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি স্পেনীয় প্রধানমন্ত্রীর আলজিয়ার্স সফরের প্রধান কারণ হতে পারে।

এর আগে ২০২১ সালের মে মাসেও সেউতায় একইভাবে বড় ধরণের অনুপ্রবেশ ঘটেছিল। তখন পোলিসারিও ফ্রন্টের প্রধানকে কোভিডের চিকিৎসার জন্য স্থান দিয়েছিল স্পেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মরক্কো সীমান্ত শিথিল করে দেয়।

মরক্কো ও পোলিসারিও ফ্রন্ট উভয়ই বিতর্কিত পশ্চিম সাহারাকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে। এটি ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত স্পেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

২০২২ সালে মাদ্রিদ মরক্কোর নীতিকে সমর্থন দিলে সেই সংকটের নিরসন ঘটে। তবে স্পেনের এই পদক্ষেপে মরক্কোর প্রতিদ্বন্দ্বী আলজেরিয়া ক্ষুব্ধ হয়।

এরই মধ্যে গত ২০ জুলাই স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ আলজিয়ার্স সফরের যান। চার বছর পর এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের শীতল সম্পর্ক উষ্ণ হতে শুরু করে। এটি মরক্কো ভালোভাবে নেয়নি।

শুক্রবার সেউতায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী সানচেজ মানব পাচারকারীদের দায়ী করেন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা ছড়িয়ে পাচারকারীরা এই সংকট তৈরি করেছে বলে তিনি জানান। সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, সমুদ্রপথে আসা অভিবাসীদের সরাসরি ফেরত পাঠানো যাবে না। পাচারকারীরা এটিকে স্পেনে থাকার সুযোগ হিসেবে অপপ্রচার করেছে।

ইতালীয় গবেষণা সংস্থা আইএসপিআই-এর বিশেষজ্ঞ মাত্তেও ভিল্লা বলেন, ২০২১ সালের ঘটনারই এক বড় সংস্করণ দেখলাম আমরা। যেখানে মাসে কয়েকশো লোক আসে, সেখানে রাতারাতি ৫০ হাজার লোক চলে আসা স্বাভাবিক নয়। সানচেজের আলজেরিয়া সফর মরক্কো পছন্দ করেনি।

ভিল্লা মনে করেন, কৌশলগত ক্ষমতা দেখাতে মরক্কো হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবেই সীমান্ত শিথিল রেখেছিল।

সরকার ও কর্তৃপক্ষ কীভাবে প্রতিক্রিয়া

সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সেনা ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে স্পেন। প্রধানমন্ত্রী সানচেজ এটিকে ‘স্পেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এই ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে স্পেন সরকার। ইউরোপীয় রাজনীতিকদের মধ্যেও এ নিয়ে তীব্র মতভেদ দেখা দিয়েছে। ডানপন্থী নেতারা স্পেনের সাম্প্রতিক অভিবাসন নীতিকে দায়ী করছেন।

ইতালির সরকার স্পেনকে শেঙ্গেন এলাকা থেকে সাময়িক বহিষ্কারের দাবি তুলেছে। অন্যদিকে পরিস্থিতি সামলাতে ফ্রান্সও স্পেনের সঙ্গে তাদের সীমান্ত পাহারা জোরদার করেছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন

Click to comment

ক্যাম্পাস জীবন শেষে বাসায় ফিরেই আত্মহত্যা করলেন ইবির এক শিক্ষার্থী

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ল এন্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের অংকন কুন্ডু নামের এক শিক্ষার্থী নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৫ জুলাই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করে বিদায় নিয়েছেন। মেধাবী ওই শিক্ষার্থী বিদেশি উচ্চ শিক্ষার জন্য বিভাগীয় সুপারিশ নিয়েছেন বলে জানান বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক বিলাসী সাহা।

শুক্রবার রাজশাহী সদরে নিজ বাসায় রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টায় আত্মহত্যা করেন বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর বাবা অ্যাডভোকেট নরেন্দ্রনাথ কুণ্ডু।

নিহতের বাবা বলেন, “রাত ৯ টার দিকে এক সঙ্গে খাবার খাইলাম। কিছুই বুঝতে পারিনি। ১ ঘণ্টার ব্যবধানে আত্মহত্যা করে পরপারে চলে গেলেন। সৎকার আগামীকাল বিকাল ৩ টার দিকে করানো হবে। তার লাইফ তো বিশ্ববিদ্যালয়ে কেটেছে, বিস্তারিত জানলে বন্ধুবান্ধবরা জানবেন।”

বিভাগের সহপাঠীরা জানান, দুইদিন আগেই ক্যাম্পাসে ছিলেন তিনি। বিদায় নেওয়ার পর এত বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিবে বুঝতে পারিনি। তবে বেশ কয়েকমাস আগে থেকে তাকে একটু ডিপ্রেশন মনে হতো।

বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক বিলাসী সাহা বলেন, “আমাকে বাড়ি থেকে ফোন দিয়ে নিশ্চিত করেন। সে খুব মেধাবী ছাত্র ছিল। তাঁর অকাল মৃত্যুতে বিভাগ শোকাভিভূত। উচ্চ শিক্ষায় বিদেশে যাওয়ার জন্য আমার সঙ্গে পরামর্শ নিতে আসছিল সে। পড়াশোনায় আগ্রহ ছিল তার।”

Click to comment

১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন-ফিটনেস

ডিজিটাল ডেস্ক

আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস স্থাপন ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নতুন নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ প্রদান কিংবা নবায়নের ক্ষেত্রে জিপিএস সংযুক্ত না থাকলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ২৮ জুলাই প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনার কথা জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপদ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে আগামী ১ আগস্ট থেকে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন নিবন্ধন বা ফিটনেস সনদ পেতে হলে যানবাহনে নির্ধারিত মানের জিপিএস ডিভাইস সংযুক্ত থাকতে হবে। পাশাপাশি ডিভাইসটি সচল রয়েছে—এমন প্রমাণও বিআরটিএকে দেখাতে হবে। এজন্য জিপিএস সংযুক্তির প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডিভাইসটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করতে হবে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি মান ও স্পেসিফিকেশন সংস্থাটির ওয়েবসাইট এবং স্থানীয় কার্যালয় থেকে জানা যাবে। নির্ধারিত মান অনুযায়ী ডিভাইস স্থাপনের পরই নিবন্ধন ও ফিটনেস-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী জিপিএস সংযুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই গণপরিবহনের নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ দেওয়া বা নবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

সরকারের মতে, জিপিএস বাধ্যতামূলক করার ফলে গণপরিবহনের অবস্থান, গতি ও নির্ধারিত রুট প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাসের রেষারেষি, অনিয়ন্ত্রিত লেন পরিবর্তন এবং যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামার মতো অনিয়ম কমানো সহজ হবে।

তবে পরিবহন মালিকদের একটি অংশ মনে করছেন, প্রথম দিন থেকেই দেশের সব গণপরিবহনে শতভাগ জিপিএস ব্যবস্থা কার্যকর করা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছুটা চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

অন্যদিকে, পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিপিএস সংযোজন একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও কেবল প্রযুক্তি ব্যবহারে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। এর পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণ, দক্ষ চালক নিশ্চিত করা, কার্যকর তদারকি, জবাবদিহি এবং আইন প্রয়োগে কঠোরতা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Click to comment

মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনের সেউতায় প্রবেশ করলেন প্রায় ৬০ হাজার; প্রাণহানি বেড়ে ৩৪

ডিজিটাল ডেস্ক

মরক্কো থেকে উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী প্রবেশ করেছেন। এ সময় সমুদ্র ও সীমান্ত পেরিয়ে শহরটিতে ঢোকার চেষ্টাকালে অন্তত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সেউতার আঞ্চলিক সরকারের প্রধান হুয়ান জেসুস ভিভাস বলেন, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সেউতায় প্রবেশ করেছেন। এই সংখ্যা শহরটির মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি। একই সময়ে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ৩৪ জনের প্রাণহানির তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে সেউতায় কতজন অভিবাসী প্রবেশ করেছেন, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সরকারি তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ভিভাসের বক্তব্যের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য মোট সংখ্যার একটি সরকারি হিসাব সামনে এলো।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, মরক্কোর উপকূল থেকে অনেক অভিবাসী ভাসমান ইনফ্ল্যাটেবল ডিভাইস ব্যবহার করে সাঁতরে সেউতায় প্রবেশ করছেন। কয়েকজনকে ‘স্পেন দীর্ঘজীবী হোক’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রকাশিত ফুটেজে আরও দেখা যায়, বড় বড় অভিবাসী দল ব্রেকওয়াটার অতিক্রম করে সেউতার সড়কে উঠে আসছে। অন্যদিকে স্পেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইএফই জানিয়েছে, অনেকেই স্থলসীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া টপকেও শহরটিতে প্রবেশ করেছেন।

উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের দুটি স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতা ও মেলিলা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আফ্রিকার একমাত্র স্থলসীমান্ত। উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে প্রবেশ করতে চাওয়া অভিবাসীদের জন্য এই দুটি শহর দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত।

চলতি মাসের শুরুতে স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন, সেউতা বা মেলিলায় পৌঁছানোর চেষ্টাকালে সমুদ্রে আটক হওয়া অভিবাসীদের মরক্কোতে ফেরত পাঠানো যাবে না। আদালতের ওই রায়ের পর অভিবাসীদের প্রবেশের গতি কিছুটা কমলেও সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে ‘হঠাৎ বিস্ফোরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্পেনের নিরাপত্তা বাহিনী গার্ডিয়া সিভিল-এর এক মুখপাত্র।

স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা মরক্কো সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সুযোগ নিয়ে মানবপাচারকারী চক্রগুলো অনিয়মিত অভিবাসনকে উৎসাহিত করছে বলেও অভিযোগ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

এদিকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কার শুক্রবার সেউতা সফরের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Click to comment

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক গণিত সম্মেলনে ববি শিক্ষক ড. হেনা রানী

ববি প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ গণিত সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব ম্যাথমেটিশিয়ানস (ICM)-২০২৬’-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হেনা রানী বিশ্বাস। গত ২৩ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত আট দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি অংশ নেন।

সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ড. হেনা রানী বিশ্বাস সম্মানজনক ‘ICM-2026 Travel Support Program Award’ অর্জন করেন। এই অ্যাওয়ার্ডের আওতায় তাঁর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াতের বিমান ভাড়া, কনফারেন্স রেজিস্ট্রেশন ফি, আবাসন, খাবার এবং স্থানীয় পরিবহনসহ যাবতীয় ব্যয় বহন করা হয়।

উল্লেখযোগ্য যে, বিশ্বের ৭৮টি দেশের ৩ হাজার ৭৪২ জন নিবন্ধিত গবেষকের মধ্যে ৩ হাজার ১৭০ জন বিশিষ্ট গণিতবিদ, শিক্ষাবিদ ও গবেষক সরাসরি এ সম্মেলনে অংশ নেন।

সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন ‘World Meeting for Women in Mathematics (WM²)’-এ ড. হেনা রানী তাঁর মূল গবেষণা নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন দেশের প্রখ্যাত গণিতবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যৌথ গবেষণা সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেন।

ড. হেনা রানীর এই বৈশ্বিক অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন,

“এটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও আনন্দের বিষয়। গণিতের আন্তর্জাতিক এত বড় একটি প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্ব করা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য গর্বের। শিক্ষকের এই অর্জন দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা অঙ্গনে এক অনন্য অনুপ্রেরণা যোগাবে।”

Click to comment

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের (ফেরত পাঠানোর) অনুরোধটি ভারতের প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় পেশ করা একটি সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

ভারতীয় কংগ্রেসের সংসদ সদস্য শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশের ওপর সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্যটি প্রকাশ পায়। 

‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক’ শীর্ষক কমিটির নবম প্রতিবেদনে উল্লেখিত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলোর ওপর সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সম্বলিত এই প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভারতের সংসদে পেশ করা হয়।

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ সম্পন্ন করে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো এই প্রত্যর্পণ আবেদনটি নোট করার কথা জানিয়েছে কমিটি। একই সঙ্গে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি সম্পর্কে সংসদকে অবহিত রাখার জন্য কেন্দ্রের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে তারা।

সংসদীয় কমিটি উল্লেখ করেছে যে, দিল্লিতে শেখ হাসিনার অবস্থানের বিষয়টি ভারতীয় ‘সভ্যতার চেতনা ও অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি বা চরম কষ্টে থাকা ব্যক্তিদের আশ্রয় দেয়ার মানবিক ঐতিহ্য’ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ভারতীর ভূখণ্ড থেকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য শেখ হাসিনাকে কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম বা সুযোগ দেওয়া হয়নি।

কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ভূখণ্ডকে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না দেওয়ার নীতিতে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে দেশটি। কমিটি সুপারিশ করেছে যে, এই ধরনের সংবেদনশীল পরিস্থিতিগুলো আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সংগতি রেখে যথাযথভাবে সামলানোর সময় সরকার যেন তার এই ‘নীতিভিত্তিক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি’ বজায় রাখে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Click to comment

জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে মানববন্ধন

ইবি প্রতিনিধি

সারাদেশে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জুলাইয়ের সম্মুখসারীর নেতাকর্মীদের ওপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অঙ্গসংগঠন কর্তৃক সংঘটিত ন্যক্কারজনক ও নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা-নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ)।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে এ মানববন্ধন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এ সময় মানববন্ধনকারীদের ‘আলিফের চোখ ফিরিয়ে দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’, ‘তারেক জিয়া জানে না, বিপ্লবীরা হারে না’, ‘তারেক জিয়া হাসিনা, ফ্যাসিবাদ মানি না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

শাখা বৈছাআর যুগ্ম সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, “জুলাইয়ের সম্মুখসারীর নেতাকর্মীদের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা এবং নারী নেত্রীর ওপর পুরুষ পুলিশের হাত তোলা—এই আইন কোথায় পেয়েছেন? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখনও চুপ করে আছেন কেন? আসলে কুকুরের গায়ে যদি বাঘের চামড়া বসান, কখনো কুকুর বাঘ হয় না; কুকুর কুকুরই থেকে যায়। হাসিনা ১৭ বছরে যা করেছে, বিএনপি পাঁচ মাসের মাথায় তাই করছে। আমরা এই ধরনের আক্রমণের তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানাই। এই সহিংসতার পেছনে সরকারের প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনসিপির ৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে বিপ্লবী জনগণের কাছে সরকারকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাই।”

মানববন্ধনে শাখা বৈছাআর সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মুবাশশির আমিন বলেন, “জুলাই আন্দোলনের দুই বছর অতিক্রম হওয়ার পর দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, বাংলাদেশের আপামর জনতা যে ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গঠন করতে চেয়েছিল, সেই বাংলাদেশ আমরা পাইনি। গত ২৮ জুলাই হবিগঞ্জ জেলায় ১৮ বছরের যুবক আলিফের বাম চোখে রড দিয়ে আঘাত করেই ক্ষান্ত হয়নি, তার চোখটিও নষ্ট করে দিয়েছে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের পুনরাবৃত্তি হয়েছে, ফিরে এসেছে নব্য ফ্যাসিবাদ।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আপনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের যে মেকি ভালোবাসা প্রদর্শন করেন, আপনার ভেতরে আসলেই ভালোবাসা রয়েছে, নাকি সন্ত্রাস বসবাস করছে—তা আলিফের বাম চোখ হারানোর ঘটনার পরই বুঝতে পারছি। আপনারা ছাত্রদলকে পেটুয়া বাহিনী হিসেবে তৈরি করেছেন।”

Click to comment

ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধে বেরোবি উপাচার্যের জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা 

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিকসহ সব ধরনের সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণা দিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত ‘পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক প্রকল্পের কিক-অফ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউএন উইমেনের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে  নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার আদর্শ স্মরণ করে উপাচার্য  বলেন, “বেগম রোকেয়া বিশ্বাস করতেন যে, ভীতি, বৈষম্য বা সহিংসতায় সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী পিছিয়ে থাকলে অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাঁর দেখানো আদর্শকে পাথেয় করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি নিরাপদ ও সহিংসতামুক্ত ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পাঠদানের স্থান নয়, এটি সমাজেরই একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি। তাই সহিংসতা প্রতিরোধে শুধু ব্যক্তি উদ্যোগ নয়, প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত পরিবর্তন। আমরা অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, গোপনীয় এবং ভুক্তভোগীবান্ধব করতে কাজ করছি।”

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে জোর দিয়ে উপাচার্য আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই—ক্যাম্পাসে যেন প্রতিটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কোনো ধরনের ভয়, বৈষম্য বা হয়রানি ছাড়াই পড়াশোনা, কাজ এবং নিজেদের বিকাশের সুযোগ পান। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থান হবে জিরো টলারেন্স।”

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ চৌধুরী, ইউজিসির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক মোসা. জেসমিন পারভীনসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউএন উইমেন, সুশীল সমাজ এবং বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment