মূল অংশে যান
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ · ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ · ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
ব্রেকিং
রাজনীতি

গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার কথা বলায় ভারত সরকারের কোনো বাধা নেই: এফসিসি সভাপতি

Saif প্রকাশ: ৩ আগস্ট ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ · আপডেট: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ · ২ মিনিটে পড়ুন
গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার কথা বলায় ভারত সরকারের কোনো বাধা নেই: এফসিসি সভাপতি

ডিজিটাল ডেস্ক

আগামী ৫ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় দুই বছর পর এটিই হবে তার প্রথম প্রকাশ্য গণমাধ্যমে অংশগ্রহণ। এ আয়োজন নিয়ে ভারত সরকারের কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন এফসিসি সাউথ এশিয়ার সভাপতি ড. ওয়ায়েল আউয়াদ।

তিনি জানান, শেখ হাসিনা সরাসরি উপস্থিত না হয়ে অডিওর মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হবেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা এবং নিজের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।

ড. ওয়ায়েল আউয়াদ বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার নীতির অংশ হিসেবে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে একাধিকবার এফসিসিতে বক্তব্য রাখতে এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি সাড়া দেননি। একই সঙ্গে ক্লাবটি ভারতের রাজনৈতিক বিষয়গুলোতেও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে এবং এই অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি বা বাধা দেওয়া হয়নি।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লির মথুরা রোডের স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে আগামী ৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এই ভার্চুয়াল সেশনের আয়োজন করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা এতে অংশ নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার পাশাপাশি তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক আমিনুল হক পলাশ, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবু ওবাইদাহ আরিন এবং শাহ মো. বখতিয়ার অংশগ্রহণ করবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। এরপর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে ও দৈনিক ওয়াদা